Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

হিন্দি না জেনেও পাঁচটি ফিল্মফেয়ার, এটাই উদিত নারায়ণ

২৫ পয়সার গায়ক থেকে স্বপ্নের রাজপথের শিল্পীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৫:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৫:৩৮

options
link
হিন্দি না জেনেও পাঁচটি ফিল্মফেয়ার, এটাই উদিত নারায়ণ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দি ঠিকমতো বলতে পারতেন না। অথচ তাঁর নামের পাশে পাঁচটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। প্রতিবেশীর বাড়ির রেডিও সেট থেকে গান শুনেই সঙ্গীতের প্রতি ভালবাসা। গায়ক হয়ে ওঠা। উদিত নারায়ণ এমনই। সদা হাস্য এই গায়ক এভাবে কাটিয়ে ফেললেন ৬২ টা বসন্ত।

Advertisement

[হিন্দু নন জৈন অমিত শাহ, সোমনাথ মন্দির বিতর্কে খোঁচা রাজ বব্বরের]

আটের দশকের শেষে কিশোর কুমারের অকাল প্রয়াণে ভারতীয় সঙ্গীত জগতে তখন বিশাল এক শূন্যতা। সেই সময় আত্মপ্রকাশ হয়েছিল এই বিখ্যাত গায়কের। ১৯৫৫ সালে নেপালে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম। সেখানেই বেড়ে ওঠা। পরে উত্তর বিহারের মিথিলায় চলে আসা। ছেলেবেলা সম্পর্কে বলতে গিয়ে উদিত বলছেন, ‘আমার কণ্ঠস্বর হয়তো ভগবানের দান কিন্তু জীবনের পথ ছিল আঁকাবাঁকা। বাড়িতে কোনও রেডিও ছিল না। প্রতিবেশীর রেডিও সেট থেকে মহম্মদ রফির গান শুনে মুগ্ধ হয়ে যাই।’ সেই থেকে গানের প্রতি ভালবাসা। রফি সাহেবের ভক্ত হয়ে ওঠা। ছেলেবেলায় গ্রামে একবার গেয়ে ২৫ পয়সা পেয়েছিলেন। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাঠমান্ডুর আকাশবাণীতে যোগ দিয়েছিলেন উদিত। অল্প কয়েক দিনে বুঝে যান কিছু করতে গেলে মুম্বইয়ে যেতে হবে।

566900-alkayagnikuditnarayan-1508580620

বাইশ বছরে অচেনা শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। পুঁজি বলতে শুধু কণ্ঠ। ১৯৮০ সালে উনিশ-বিশ ছবিতে প্রথম সুযোগ। কিন্তু তা একেবারে চলেনি। তবে এই ছবিতে তাঁর স্বপ্নপূরণ হয়। ছেলেবেলার আইডল মহম্মদ রফির সঙ্গে ওই সিনেমায় গাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন উদিত। ১৯৮৭ সালে উদিতের সন্তান আদিত্যর জন্ম হয়। সে বছর আনন্দ মিলিন্দের সুরে রিলিজ হয় কেয়ামত সে কেয়ামত তক। আমির খানের প্রথম ছবিতে উদিতের লিপে পাপা কহতে হ্যায় শুনে মোহিত হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। আমিরের ছবি শুরুর দিকে তেমন চলছিল না। তখন ব্যাগ গুছিয়ে বিহারে ফিরে চাষবাস করবেন বলে ঠিক করে ফেলেছিলেন উদিত। তৃতীয় সপ্তাহের পর উদিত বুঝে যান তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে থাকার জন্য এসেছেন। এরপর ১৯৯৩-এ ‘পেহলা নাশা’ সুপারহিট হয়েছিল। সব ব্যর্থতা ভুলে যান উদিত।

[সোমনাথ মন্দির বিতর্কে মুখ খুলে নিজেকে ‘শিবভক্ত’ বললেন রাহুল]

Kumar-Sanu-Kajol-Shahrukh-Khan-and-Jatin

৩৬টি ভাষায় ২৫ হাজারের উপর গান, ১৫০০ ছবিতে লিপ। নামের পাশে পাঁচটা ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ। বিবিসির সেরা ৪০ বলিউড গানের মধ্যে উদিতের রয়েছে ২১টি গান। অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খান্না, দেব আনন্দ বা তিন খান। সবার লিপেই যেন সাবলীল উদিত। তিন দশক দাপট দেখানোর পর কেন তাঁর কণ্ঠ থেকে বঞ্চিত ভক্তরা। উদিত বলছেন ‘‘এখন কোথাও যেন সততার অভাব। প্রযুক্তির বাগড়ম্বরে কণ্ঠ হারিয়ে গিয়েছে।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.