Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুরহস্যের পর্দাফাঁস! আসছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’

রহস্য উন্মোচন করবেন বিবেক অগ্নিহোত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০১৯, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০১৯, ১৫:৪৬

options
link
লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুরহস্যের পর্দাফাঁস! আসছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু বলিউড নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও সাড়া ফেলেছে ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। সেই ধারা অব্যাহত রেখেই লোকসভা নির্বাচনের আগেই বড়পর্দায় ‘ফাঁস’ হতে চলেছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু রহস্য। নয়া চমক নিয়ে শীঘ্রই আসছে বিবেক অগ্নিহোত্রীর নতুন ছবি ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’।  

[নারকীয়! ‘পিশাচসিদ্ধ’ হতে মা-র রক্ত পান করল ছেলে]

Advertisement

এমনিতে লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি আজও। ফলে ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান’ মন্ত্রের হোতা শাস্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে জনমানসে আজও রয়েছে অসীম কৌতূহল। ছবিটির পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী জানিয়েছেন, শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে অটলবিহারী বাজপেয়ী থেকে শুরু করে জর্জ ফার্নান্ডেজ অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন।  ফলে বিষয়টি নিয়ে একটি ছবি করার কথা তাঁর মাথায় আসে। তিনি বলেন, “১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষর করেন শাস্ত্রী। তার কয়েক ঘন্টা পরই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় তাঁর। হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর, না তাঁকে বিষ দেওয়া হয়, এই প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। আমার মনে হয় সত্য সামনে আসা উচিত।  “

প্রসঙ্গত, শাস্ত্রীর মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী গুলজারিলাল নন্দার দ্বারস্থ হন তাঁর পরিবারের লোকজন। ময়নাতদন্তের দাবি জানান তাঁরা। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই দাবি নাকচ করে দেন নন্দা। তারপর থেকেই বতাসে ভাসতে শুরু করে নানা জল্পনা।  তবে ধোঁয়া থাকলে আগুন যে থাকবেই, তা বলাই বাহুল্য। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের শেষে তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার মধ্যস্ততায় তাসখন্দে (বর্তমান উজবেকিস্তানের রাজধানী) ১০ জানুয়ারি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ। সেখানেই একটি বাড়িতে শাস্ত্রীর রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করেছিল সোভিয়েত রাশিয়া। চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাড়িতে ফিরে আসেন শাস্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত টি এন কাউল। সেই অভিশপ্ত রাতে কাউলের নিজস্ব রাঁধুনি জান মহম্মদের হাতের খাবার খেয়েছিলেন শাস্ত্রী।  রাত ১১.৩০ মিনিটে জান মহম্মদের এনে দেওয়া এক গ্লাস দুধও খান তিনি। তারপরই রাত ১.৩০ নাগাদ অসুস্থ বোধ করেন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসককে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ।  

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, শাস্ত্রীকে বিষ দেওয়া হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি। গ্রেপ্তার করা হয় শাস্ত্রীর রুশ খানসামা আহমেদ সাতারভকে। এমনকী তাঁর দেহ দেশে ফিরলে দেখা যায় নীল হয়ে গিয়েছে শাস্ত্রীর শরীর। কিন্তু এত কিছু ঘটা সত্ত্বেও অদ্ভুতভাবে ময়নাতদন্তে বাদ সাধেন নন্দা। রহস্যজনকভাবে গাড়ি চাপা পড়ে মারা যান শাস্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও তাঁর দুই ছেলে। শাস্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন প্রয়াত বিশিষ্ট সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার। এছাড়াও শাস্ত্রীর মৃত্যুর অন্যতম সন্দেহভাজন জান মহম্মদকে রাষ্ট্রপতি ভবনে কাজে নিয়োগ করা হয়। সব মিলিয়ে আজও রহস্যে মোড়া লালবাহাদুর শাস্ত্রী মৃত্যু। ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’ সেই রহস্যে কতটা আলোকপাত করবে তা সময়ই বলবে। 

[কালো টাকায় লন্ডনে বেনামি সম্পত্তি কিনেছেন রবার্ট বঢরা, দাবি ইডি-র]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.