Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬

জয়পুরের পর আগ্রা, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ বন্ধের দাবিতে প্রেক্ষাগৃহে ভাঙচুর

সলমনের ছবি স্ক্রিনিংয়ে বাড়তি নিরাপত্তা পুলিশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০১৭, ০৩:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০১৭, ০৩:৪১

options
link
জয়পুরের পর আগ্রা, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ বন্ধের দাবিতে প্রেক্ষাগৃহে ভাঙচুর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজস্থানের পর ‘টাইগার’ সলমনের উপর এবার ক্ষুব্ধ আগ্রার কট্টর হিন্দু সংগঠনও। বলিউড সুপারস্টারের সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’-র স্ক্রিনিং বন্ধ করতে এবার প্রতিবাদে সরব তারাও।

ঘটনার সূত্রপাত হয় এক নাচের রিয়্যালিটি শোয়ে। ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’-র প্রচারে গিয়েছিলেন সলমন ও ক্যাটরিনা। সেখানেই ‘ভাংগি’ শব্দটি উচ্চারণ করে বসেন দাবাং খান। এক প্রতিযোগীর নাচের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে নাকি এ মন্তব্য করেন তিনি। শিল্পাও একই শব্দের প্রয়োগ করেন নিজের কথায়। এতেই আপত্তি তোলে বাল্মিকী সম্প্রদায়। অভিযোগ, ‘ভাংগি’ শব্দটির মাধ্যমে বাল্মিকী সম্প্রদায়কে অপমান করা হয়েছে। আর তারই প্রতিবাদে শুক্রবার উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজস্থানের জয়পুরের বিখ্যাত রাজ মন্দির প্রেক্ষাগৃহ। ছবি প্রদর্শনীর বন্ধের দাবিতে প্রেক্ষাগৃহে ভাঙচুর করা হয়। এমনকী সল্লু-ক্যাটের ছবির পোস্টারে আগুনও লাগিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ ওই হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা। যার জেরে ইতিমধ্যেই সলমন ও শিল্পার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। সেই আঁচই এবার ছড়িয়ে পড়ল আগ্রায়। বাল্মিকী সম্প্রদায় এবং আগ্রা পুরসভার পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা পুরসভারই একটি ট্রাকে শহরের এক সিনেমা হলে গিয়ে চড়াও হয়। যেখানে ধুমধাম করে মুক্তি পেয়েছিল টাইগার ছবির সিক্যুয়েল। রীতিমতো ভাঙচুর করা হয় প্রেক্ষাগৃহটি। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, যে সময় হলে ভাঙচুর হয় তখন আগ্রাতে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য। তবে এই ব্যাপারে তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Advertisement

[বক্স অফিসে ‘বাহুবলী’কে কি টেক্কা দিতে পারলেন ‘টাইগার’ সলমন?]

সিনেমা হলের ম্যানেজার মহম্মদ ইমতিয়াজ চাঁদ জানাচ্ছেন, বাল্মিকী সম্প্রদায়ের সদস্যরা গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করে এবং ছবি বন্ধের দাবিতে সরব হয়ে ওঠে। কিন্তু হল কর্তৃপক্ষ তাদের দাবি না মেনে নেওয়ায় শুরু হয়ে যায় ভাঙচুর। বিক্ষুব্ধ সদস্যরা পাথর ছোড়ে এবং ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। এখানেই শেষ নয়। ইমতিয়াজ আরও জানান, পুরসভার ট্রাকে আবর্জনা ভরতি করে নিয়ে আসা হয়েছিল যা সিনেমা হলের গেটের ঠিক সামনে ফেলা হয়, যাতে দর্শকদের প্রবেশ আটকানো যায়। পরে ওই সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগ দেয় রাষ্ট্রীয় হিন্দু সেনাও। ঘটনাস্থলে ঠিক সময়ে পুলিশ না পৌঁছলে হলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল বলে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। পুলিশের লাঠিচার্জে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আগ্রা থানার এসপি অমিত পাঠক জানান, হলের অভিযোগের ভিত্তিতে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ জানাচ্ছে, শহরের যে সমস্ত হলে সলমনের ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’-র স্ক্রিনিং চলছে, সেখানে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

[আপত্তিকর মন্তব্যের জের, সলমন-শিল্পার বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.