Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Dev on Swarup Biswas

‘সব কর্মফল! তৃণমূল জিতলে স্বরূপ বিশ্বাসকে আটকানো মুশকিল হত’, বিস্ফোরক দেব

'ব্যান কালচার' নিয়ে স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে সম্মুখ সমরে গিয়ে একাধিকবার চর্চার শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছেন তারকা সাংসদ। কিন্তু এবার যখন টলিপাড়ার সেই 'ত্রাস' দুর্নীতির দায়ে ১৩ দিনের পুলিশ হেফাজতে, এপ্রসঙ্গে দেবের কী মত? কৌতূহল সর্বত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৯:৩৪

options
link
‘সব কর্মফল! তৃণমূল জিতলে স্বরূপ বিশ্বাসকে আটকানো মুশকিল হত’, বিস্ফোরক দেব zoom
স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর 'বিশ্বাস ব্রাদার্স'-এর দৌড়াত্ম্য নিয়ে মুখ খুলেছেন দেব।

“তৃণমূল আমলে আমি টলিউডে যেভাবে ভুগেছি, সেটা অন্তত নতুন সরকারের আমলে হবে না বলেই আশা করছি…”, দিন কয়েক আগেই এক সিনেমার প্রিমিয়ারে গিয়ে বোমা ফাটিয়েছিলেন দেব (Dev)। রাজনীতির পিচে তিনি ‘সৌজন্যের পোস্টার বয়’। তৃণমূলের তারকা সাংসদ হলেও প্রাক্তন শাসকদলের রক্তচক্ষু, নিষিদ্ধ সংস্কৃতির উর্ধ্বে গিয়ে বিজেপি সমর্থক সেলেবদের সঙ্গে সিনেমা করেছেন। এমনকী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, মিঠুন চক্রবর্তীদের মতো পদ্মশিবিরের তারকা মুখদের নিজের ছবিতে কাস্ট করার জেরেও কম বিপাকে পড়তে হয়নি দেবকে! তবু সিস্টেমে থেকে বুক ঠুকে সিস্টেমকে প্রশ্ন করার সাহস রেখেছেন সুপারস্টার। বিশেষ করে ‘ব্যান কালচার’ নিয়ে স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে সম্মুখ সমরে গিয়ে একাধিকবার চর্চার শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছেন তারকা সাংসদ। কিন্তু এবার যখন টলিপাড়ার সেই ‘ত্রাস’ দুর্নীতির দায়ে ১৩ দিনের পুলিশ হেফাজতে, এপ্রসঙ্গে দেবের কী মত? কৌতূহল সর্বত্র।

বিগত কয়েক বছরে সিনেপাড়ার অন্দরে বহুবার এমন রব শোনা গিয়েছে যে- ‘টলিউডকে কার্যত দুর্নীতির আখাড়া বানিয়ে ফেলেছেন স্বরূপ বিশ্বাস!’ এবার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন ফেডারেশন সভাপতি গ্রেপ্তার হতেই ছাই চাপা আগুনের মতো সেসব ক্ষোভ ‘লাভা’র মতো ফুঁড়ে বেরিয়ে আসছে। তোলাবাজি, শ্লীলতাহানি থেকে শুরু করে ‘তুঘলকি স্টাইলে’ মুড়িমুড়কির মতো শিল্পী-কলাকুশলীদের নিষিদ্ধ করে দেওয়ার মতো একগুচ্ছ অভিযোগ স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। এপ্রসঙ্গে দেব কী বলছেন?

দেব

স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর দৌড়াত্ম্য নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুললেন দেব। তাঁর মন্তব্য, “যে যার কর্মফল ভুগবে। হেরে যাওয়া মানুষকে নিয়ে আর কী বলব! ওঁর যখন ভালো সময় ছিল, তখন বাকি সকলের খারাপ সময় এনে দিয়েছিলেন। আর দেব এমন মানুষ নয় যে, কারও খারাপ সময় নিয়ে কিছু বলবে। এখন অনেক কথা বলতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু লাভ কী!” সিস্টেমে থেকেও স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas) বিরুদ্ধে বুক ঠুকে লড়াই জারি রেখেছিলেন তৃণমূলের সাংসদ অভিনেতা দেব। ডিরেক্টর্স গিল্ডের প্রতিবাদ হোক কিংবা ফোরাম-ফেডারেশনের মিটিং, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যান হওয়া শিল্পীদের হয়ে বরাবর সুর চড়াতে দেখা গিয়েছে সুপারস্টার সাংসদকে। তার জন্যে অবশ্য মাশুলও কম গুনতে হয়নি দেবকে! কীরকম? স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর সেকথাই সংবাদ মাধ্যমের কাছে ফাঁস করলেন অভিনেতা-প্রযোজক। দেবের কথায়, “আমাকেও বলা হয়েছিল প্রকাশ্যে সোশাল মিডিয়ায় ক্ষমা চাইতে। নইলে আমার কাজ কেড়ে নেওয়া হবে- এমন কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু আমি আমার লড়াইটা জারি রেখেছিলাম। আর আজকে উনি নিজের কর্ম ফল পেলেন।”

Advertisement

“দল জিতলে স্বরূপ বিশ্বাসকে আটকানো মুশকিল হয়ে যেত। আমাকেও ব্যান করে দিত। স্ক্রিনিং কমিটিতে ভোট দিইনি বলে আমার নামে লালবাজারে অভিযোগ জানাতে পৌঁছেছিলেন অনেককে নিয়ে।…” 

Swarup Biswas in Police Custody till 18 June
১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে স্বরূপ বিশ্বাস

বিগত কয়েক বছরে সিনেপাড়ার অন্দরে বহুবার এমন রব শোনা গিয়েছে যে- ‘টলিউডকে কার্যত দুর্নীতির আখাড়া বানিয়ে ফেলেছেন স্বরূপ বিশ্বাস!’ এবার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন ফেডারেশন সভাপতি গ্রেপ্তার হতেই ছাই চাপা আগুনের মতো সেসব ক্ষোভ ‘লাভা’র মতো ফুঁড়ে বেরিয়ে আসছে। তোলাবাজি, শ্লীলতাহানি থেকে শুরু করে ‘তুঘলকি স্টাইলে’ মুড়িমুড়কির মতো শিল্পী-কলাকুশলীদের নিষিদ্ধ করে দেওয়ার মতো একগুচ্ছ অভিযোগ স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। এপ্রসঙ্গে দেব কী বলছেন? সাংসদ-অভিনেতার মন্তব্য, “এতজন শিল্পীকে ব্যান করে রাখা হয়েছে বলে আর্টিস্ট ফোরামে মেইল করেছিলাম। তখন কিন্তু ফোরাম স্বরূপ বিশ্বাসকে কোনও প্রশ্ন করেনি। আমরা নিজেরা মাথা নিচু করলে তো আমাদের উপর দিয়ে কেউ না কেউ হাঁটবেই। সেসময়ে যাঁরা মাথা উঁচু করেছিলেন, আজ তারা হাসছেন। আমি নিজেও অনেক কলাকুশলীর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। তাদের অভিশাপও তো আছে।”

দেব এও জানান যে, “দল জিতলে স্বরূপ বিশ্বাসকে আটকানো মুশকিল হয়ে যেত। আমাকেও ব্যান করে দিত। স্ক্রিনিং কমিটিতে ভোট দিইনি বলে আমার নামে লালবাজারে অভিযোগ জানাতে পৌঁছেছিলেন অনেককে নিয়ে। বলা হয়েছিল, দেশু ৭ আমি রিলিজ করতে পারব না। তখন বারো জন বলেছিলেন, পুজোয় দেবের ছবি রিলিজ করবে না। মিঠুন চক্রবর্তী আছে বলে, আমার ছবি নন্দনে চালানো হয়নি। আসলে ক্ষমতা আজ আছে কাল নেই। অন্যায় হলে প্রতিবাদ হওয়া স্বাভাবিক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.