Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Snails

অল্প বিনিয়োগেই বিপুল আয়ের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থানের নতুন দিশা রঙিন শামুক চাষ

রঙিন মাছ এবং শামুক একসঙ্গে চাষ করা যেতে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২০, ২০:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২০, ২০:৫৮

options
link
অল্প বিনিয়োগেই বিপুল আয়ের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থানের নতুন দিশা রঙিন শামুক চাষ zoom
Advertisement

সৈকত মাইতি, তমলুক: রঙিন মাছ চাষের পর এবার রঙিন অর্নামেন্টাল স্নেল অর্থাৎ অলংকারিক শামুক (Snails) চাষের বিষয়ে উৎসাহ দিতে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। মূলত, সিডিসির উদ্যোগে বেকার কর্মসংস্থানের নতুন দিশা দিতে অভিনব এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দাবি, এই শামুক যেমন সৌন্দর্য বৃদ্ধি ঘটাবে তেমনই স্বল্প পরিমাণ আয়তনের অ্যাকোরিয়ামের জল বিশুদ্ধ রাখতে সহায়ক হবে। তাছাড়া আগামী দিনে মহিলাদের অলংকার প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবি।

অর্নামেন্টাল স্নেল খানিকটা সাধারণ পুকুরে গেরী গুগলির মতো দেখতে। তবে রঙিন, স্বচ্ছ এবং আকারে অনেকটাই ছোট। সাধারণত জলে এবং স্থলে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে থাকাই এদের পছন্দ। যেগুলি রঙিন মাছের (Fish) সঙ্গে অ্যাকুরিয়ামের সৌন্দর্য এবং শ্রীবৃদ্ধি করে থাকে। গাঢ় ধূসর, হলুদ ও বাদামি রঙের। তবে গিরগিটির মতো না হলেও স্বল্প এই জীবনচক্রে নিজেদের রংয়ের একাধিকবার পরিবর্তন ঘটে। যা অতি সহজেই মিষ্টি জলের ছোট ছোট চৌবাচ্চা কিংবা মাটির যে কোনো পাত্রে এই চাষ করা সম্ভব। এবং প্রাকৃতিক উপায়ে খুুুব সহজেই বংশবিস্তার করে থাকে। ফলে এর জন্য আলাদা কোনভাবে সর্তকতা অবলম্বনের প্রয়োজন হয় না। কিংবা বড় কোন জলাশয়ের প্রয়োজন নেই। তাই যে কেউ উদ্যোগী ব্যক্তির পক্ষে এই চাষ সম্ভব। তাছাড়া কালচারের জন্য কোনও স্পেশ্যাল ফিড কিংবা বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয় না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গঙ্গার জলস্তর কমলেও দেখা নেই ইলিশের, মাথায় হাত মৎস্যজীবীদের]

ফলে আগামী দিনে রঙিন মাছ চাষের পাশাপাশি অর্নামেন্টাল এই শামুক চাষ অনেকটাই আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে দাবি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের। কারণ, অ্যাকোরিয়ামে স্বল্প পরিসরে রঙিন মাছ চাষের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায় শ্যাওলা। এক্ষেত্রে শ্যাওলা এবং নোংরা জল একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিষ্কার করতে হয়। কিন্তু মাছের পাশাপাশি রঙিন এই শামুক রাখলে অ্যাকোরিয়ামের জল অনেকটাই পরিস্রুত হয়ে যায়। সেই সঙ্গে খুব একটা সহজে শ্যাওলাও জমতে পারে না। ফলে অ্যাকোরিয়ামে মাছ চাষের ক্ষেত্রে রঙিন এই শামুক অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে।

অ্যাকুরিয়ামে যাঁরা রঙিন মাছ চাষ করেন কিংবা বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অ্যাকুরিয়ামের মাছ রাখেন তাঁরাই এখন রঙিন শামুকের ক্রেতা। যা আবার রঙিন মাছ চাষের সঙ্গে মিশ্র ভাবে চাষ সম্ভব। ফলে খুব একটা মার্কেটিংয়ের প্রয়োজন নেই বললেই চলে। সেই সঙ্গে আগামী দিনে রঙিন এই শামুক মহিলাদের বিভিন্ন রকমের গহনা তৈরিতেও উপযোগী। সেসব কথা মাথায় রেখেই ইতিমধ্যেই তমলুকের সিএডিসির সদর দপ্তর রণসিনহাতে সহকারি ফসল হিসেবে রঙিন মাছের সঙ্গে এই শামুক চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তমলুকের (Tamluk) নিমতৌড়িতে স্বনির্ভর দলের সহায়তায় অন্যান্য রঙিন মাছের সঙ্গে মাটির চৌবাচ্চাতে এই শামুকের চাষ শুরু হয়েছে। সিএডিসির তমলুক প্রকল্প আধিকারিক উত্তম কুমার লাহা বলেন, “রঙিন মাছের পাশাপাশি অ্যাকোরিয়ামের শ্রীবৃদ্ধিতে রঙিন শামুকের গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশই বাড়ছে। তাছাড়া বদ্ধ অ্যাকোরিয়ামের জল পরিষ্কার রাখতে রঙিন শামুক অত্যন্ত ফলপ্রসূ। তাই রঙিন মাছের পাশাপাশি রঙিন শামুক চাষে কোনো ঝুঁকি না থাকায় আগামী দিনে জেলার অর্থনৈতিক বিকাশে অনেকটাই সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।”

[আরও পড়ুন: কৃষকদের অভিযোগ মেটাতে উদ্যোগ, দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ‘স্কাডা’ পদ্ধতিতে ছাড়া হবে জল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.