Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Betel Plant

সরকারি সুবিধা নেই, পান চাষে বিমুখ উত্তরের চাষিরা

পান চাষিদের একাংশেরই অভিযোগ, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি রাজ্য সরকারের সুযোগসুবিধা পান। উত্তরবঙ্গের কৃষকরা কোনওরকম সুযোগসুবিধা পান না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৭:১৬

options
link
সরকারি সুবিধা নেই, পান চাষে বিমুখ উত্তরের চাষিরা zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, ইসলামপুর: পান চাষ থেকে মুখ ফেরাচ্ছে চাষিরা। দক্ষিণবঙ্গের বাংলা পান পাতায় ভর্তি বাজার। সেখানে উত্তরবঙ্গের বাংলা পানের চাহিদা খুব কম। প্রায় ২ বছর আগে যে পরিমাণ পানের বরজ উত্তরবঙ্গে ছিল, তার অর্ধেকেরও কম পরিমাণ বরজ বর্তমানে রয়েছে। এর জেরে আস্তে আস্তে পান চাষ বন্ধ করে দিচ্ছেন চাষিরা। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের পান চাষিদের হাল দিনদিন শোচনীয় হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে পানের বরজগুলি উধাও হয়ে যাচ্ছে।

ইসলামপুর ব্লকে এক বছর আগে প্রায় দেড়শোরও বেশি পানের বরজ ছিল। এখন তা কমতে কমতে প্রায় আশিটিতে গিয়ে ঠেকেছে। এখানকার পানের বৈশিষ্ট্য হল কলকাতার পানের তুলনায় বেশি ঝাল আর হালকা সবুজ। ইসলামপুরের পান সবথেকে জনপ্রিয় বিহারের বেশ কয়েকটি এলাকায়। যেমন পূর্ণিয়া, আরারিয়া, খুদ্রিবাগ, ঠাকুরগঞ্জ-সহ অন্যান্য জায়গায়। আবার ইসলামপুরের বাজারে এই লোকাল পানের মান অনেকটাই তলানিতে। যার ফলে এখানকার কৃষকরা বহু যত্নে পান চাষ করলেও সঠিক মুনাফার অভাবে তারা সেই চাষ দিনে দিনে ছেড়ে দিচ্ছে। পানের পরিবর্তে বর্তমানে তাঁরা চাষ করছেন বিভিন্ন শাকসবজি। যাতে মুনাফা ভালো হচ্ছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ইসলামপুরের স্থানীয় চাষিরা পান চাষের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য কলকাতার বাংলা পাতা পানের চারাগাছ নিয়ে এসে তাঁদের জমিতে রোপন করেছিলেন। কিন্তু কলকাতার জলবায়ু এবং ইসলামপুরের | জলবায়ুর মধ্যে বহু তফাৎ। সে কারণে সেই গাছগুলি থেকে ভালো ফলন পাননি তাঁরা। আগে কৃষকরা পান চাষ করতেন জৈব সারের মাধ্যমে। কিন্তু বর্তমানে নানারকম কীটনাশক ব্যবহার হয় এই চাষে। পান চাষিদের একাংশেরই অভিযোগ, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি রাজ্য সরকারের সুযোগসুবিধা পান। উত্তরবঙ্গের কৃষকরা কোনওরকম সুযোগসুবিধা পান না।

ইসলামপুরের বাসিন্দা বিশ্বনাথ পাল নামের এক পান চাষি বলে, “পান বরজ করতে কৃষকদের অনেক পরিশ্রম হয়। কখনও কখনও ধসা লেগে পান গাছ শুকোতে শুরু করে। এমনও হয় পুরো বাগান ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু সে সময় সরকারের কোনও সহযোগিতা আমরা পাই না। আমরা রোজগারের জন্য এই বাগান করি। কিন্তু বাগান করতে গিয়ে উলটে ক্ষতি হয়। তবে কেন আমরা এই বাগান করব।” এ বিষয়ে মহকুমা উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক অনেক মজুমদার বলে, “পান চাষিদের জন্য কোনওরকম সরকারি বিমা নেই। একমাত্র ধান চাষের ক্ষেত্রেই এই বিমার সুবিধা রয়েছে। সে কারণে কৃষকদের পান বরজ নষ্ট হয়ে গেলেও তাঁদের তেমনভাবে সাহায্য করা যায় না। শুধুমাত্র ওষুধ এবং অন্যান্য কিছু সামগ্রী দেওয়া হয়।”

ইসলামপুরের পান চাষিদের বেশিরভাগেরই দাবি, সরকারি সহযোগিতা পেলে তাঁরা পুনরায় এই চাষে মনোযোগ দেবেন। বিয়েবাড়িতে পুলিশ সাতসকালে বিয়ে বাড়িতে হঠাৎ সশস্ত্র পুলিশ পৌঁছতেই চোখ কপালে বাড়ির লোকজনদের। চরম বিড়ম্বনায় রীতিমতো হতচকিত বধুর পরিবার- পরিজনেরা। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বড়ুয়া গ্রামের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাল্যবিবাহের খবর পেয়েই সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বিয়ে বাড়িতে পুলিশ হাজির হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে মেয়ের জন্ম শংসাপত্র খতিয়ে দেখে ফিরে যায় পুলিশ। বধূর বাবা পেশায় মন্ডপ ব্যবসায়ী সুনীল বর্মন বলেন, “গত জুন মাসেই মেয়ের আঠারো বছর পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। ফলে আইন মেনেই মেয়ের বিয়ে দিয়েছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.