০৯  আষাঢ়  ১৪২৯  রবিবার ২৬ জুন ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

১০০ জন কৃষকের একটাই আধার নম্বর, বিপাকে মহারাষ্ট্র সরকার

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: October 25, 2017 3:42 pm|    Updated: October 25, 2017 3:42 pm

100 Farmers Found With Same Aadhaar, Maha govt is in trouble

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ১২ সংখ্যার ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর। চলতি কথায় আধার। মোদি জমানায় এখন দেশবাসীর এটাই একমাত্র পরিচয়। কিন্তু, এই আধার কার্ড নিয়েই এখন ঘোরতর সমস্যায় পড়েছে মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকার। কারণ, ইউনিক নয়, বরং ১০০ জন কৃষকের আধার নম্বর যে একই!

[বাড়ল আধার লিঙ্কের মেয়াদ, কতদিন বাড়ল সময়সীমা?]

কৃষকদের লাগাতার আন্দোলনে চাপে একপ্রকার বাধ্য হয়েই কৃষিঋণ মকুবের কথা ঘোষণা করেছেন মহারাষ্ট্র সরকার। আর এই কৃষিঋণ মকুবের সুবিধা পাওয়ার জন্য কৃষকদের আধার কার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে নাম নথিভুক্ত করতে বলা হয়েছে। মহারাষ্ট্র সরকারের বক্তব্য, কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযুক্ত করাটা অত্যন্ত জরুরি। কারণ এতে  যেমন জালিয়াতি রোখা সম্ভব হবে, তেমনি ভুয়ো সুবিধাপ্রাপকদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। কিন্তু, সেই প্রকল্প রূপায়িত করতে গিয়ে আধার কার্ড নিয়ে প্রশাসনের গাফিলতি সামনে চলে এল। কৃষিঋণে মকুবে সম্ভাব্য সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রকাশ করেছে মহারাষ্ট্র সমন্বয় দপ্তরের এক আধিকারিক। তাতে দেখা গিয়েছে, ১০০ জন কৃষকের আধার কার্ডের নম্বর একই। তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা হবে, তা নিয়ে কার্যত দিশাহারা প্রশাসন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাঙ্ককর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস।

[বিমানে ল্যাপটপ নিয়ে সফরে জারি হতে পারে নিষেধাজ্ঞা]

মহারাষ্ট্রের সরকারের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম, ভুয়ো সুবিধাপ্রাপকদের চিহ্নিত করতে আধার কার্ডই হাতিয়ার হয়ে উঠবে। কিন্তু, এখন দেখা যাচ্ছে, একাধিক কৃষকদের আধার নম্বরই তো একই। জানি না, কীভাবে এই সমস্যার সমাধান হবে। কৃষকরা এমনিতে দেরিতে প্রকল্প রূপায়ণ হওয়া নিয়ে ক্ষিপ্ত। পুরো বিষয়টি হাতকলমে খতিয়ে দেখতে গেলে তো অনেক সময় লেগে যাবে।’  এদিকে ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের একাংশ আবার বলছেন, কৃষকদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল থেকে যা তথ্য মিলেছে, তার সঙ্গে তাদের কাছে থাকা তথ্য মিলছে না। তাই সরকার যদি সংশ্লিষ্ট কৃষকের অ্যাকাউন্ট ও ঋণের পরিমাণ খতিয়ে না দেখে, তাহলে ঋণ মকুবের সুবিধা দেওয়া যাবে না। সুতরাং কৃষিঋণ মকুবের ঘোষণা তো হয়েছে। কিন্তু, সেই প্রকল্প রূপায়ণ করতে গিয়ে কার্যত ল্যাজে গোবরে অবস্থা মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকারের।

[দুই দফায় গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচন, ঘোষণা কমিশনের]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে