Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
DGCA

মিসাইল হামলা হতে পারে! মধ্যপ্রাচ্যের ১১টি আকাশপথ এড়ানোর নির্দেশ DGCA-র

ইরানের প্রত্যাঘাতে বিপর্যস্ত পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি। মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে, ইরান, সৌদি আরব, বাহরিন, ইরাক, জর্ডানের মতো দেশগুলিতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৯:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৬, ১৯:১৫

options
link
মিসাইল হামলা হতে পারে! মধ্যপ্রাচ্যের ১১টি আকাশপথ এড়ানোর নির্দেশ DGCA-র zoom
মধ্যপ্রাচ্যের ১১টি আকাশপথ এড়ানোর নির্দেশ DGCA-র।

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। ইরানের প্রত্যাঘাতে বিপর্যস্ত পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি। মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে, ইরান, সৌদি আরব, বাহরিন, ইরাক, জর্ডানের মতো দেশগুলিতে। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে দেশের বিমানসংস্থাগুলির জন্য সতর্কতা জারি করল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক বা ডিজিসিএ। শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, দেশের বিমানসংস্থাগুলি যে ১১টি দেশের আকাশপথ এড়িয়ে চলে।

বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে একাধিক দেশের আকাশপথ উচ্চঝুঁকিসম্পন্ন। এই তালিকায় রয়েছে, ইরান, ইজরায়েল, লেবানন, সৌদি আরব, বাহরিন, ওমান, ইরাক, জর্ডান, আরব আমিরশাহী, কাতার এবং কুয়েত। এছাড়াও সিরিয়া ও ইয়েমেনের আকাশসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত জায়গাগুলিতে আপৎকালিন পরিস্থিতি মোকাবিলার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের এই নির্দেশ ২৮ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

Advertisement

এই তালিকায় রয়েছে, ইরান, ইজরায়েল, লেবানন, সৌদি আরব, বাহরিন, ওমান, ইরাক, জর্ডান, আরব আমিরশাহী, কাতার এবং কুয়েত। এছাড়াও সিরিয়া ও ইয়েমেনের আকাশসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

এছাড়াও বিশেষ নির্দেশিকায় কেন্দ্র সমস্ত বিমানসংস্থাগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, সৌদি আরব ও ওমানে ৩২০০০ ফুটের উপর থেকে যেন বিমান ওড়ানো হয়। কোনওভাবেই এর নিচ থেকে যেন বিমান না ওড়ে। এই নির্দেশের মূল উদ্দেশ্য হল যুদ্ধের জেরে তৈরি হওয়া যাবতীয় ঝুঁকি এড়ানো। কেন্দ্র জানিয়েছে, যুদ্ধের জেরে শুধু ইরান নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও ঝুঁকি বেড়েছে। ফলে এই সব দেশে চলতে থাকা সামরিক গতিবিধির প্রভাব কোনওভাবেই যেন বিমানযাত্রীদের উপর না পড়ে তা দেখতে হবে বিমানসংস্থাগুলিকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.