সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্য শহর থেকে পাচার করে এনে শিশু কেনাবেচা চলত হায়দরাবাদে। প্রত্যেক সদ্যোজাতের জন্য খরচ বাঁধাধরা ছিল – ১৫ লাখ! নিরুদ্দেশ শিশুদের খোঁজে নেমে এই সংগঠিত চক্রকে ধরে ফেলল হায়দরাবাদের পুলিশ। গ্রেপ্তারও করা হয়েছে চক্রের কয়েক জন কারবারিকে। মাধোপুরের ডিসিপি ঋতিরাজ বলেন, “এই শিশুগুলো মাত্র কয়েক দিনের। যারা গ্রেপ্তার হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন রাজ্যে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এমন পদক্ষেপ করা হবে, যা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, আমেদাবাদ-সহ বিভিন্ন শহরের হাসপাতালে জাল বিছিয়ে রেখেছিলেন কারবারিরা। সেখানে তাঁদের ‘এজেন্ট’ থাকতেন। শিশু চুরি করাই তাঁদের কাজ ছিল। এই ‘এজেন্ট’রা মূলত গরিব ঘরের দম্পতিদের নিশানা করতেন। হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির পর তা হায়দরাবাদে পাচার করা হত। তারপর কোনও ধনী পরিবার খুঁজে তাদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হত শিশুদের।
ইতিমধ্যেই ওই চক্রের ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, শিশুবিক্রি চক্রের সঙ্গে হাসপাতালেরও কেউ কেউ নিশ্চয়ই জড়িত। তা না হলে এই ধরনের কারবার চালানো সম্ভব নয়। ধৃতদের জেরা করে কয়েকটি জায়গায় অভিযানও চালিয়েছে পুলিশ। তাতে উদ্ধারও হয়েছে দুই শিশু। আপাতত তাদের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।
তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, তাদের নজরে আটটি হাসপাতাল রয়েছে। এই হাসপাতালগুলির বিভিন্ন চিকিৎসক এবং কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানার চেষ্টা হচ্ছে, সম্প্রতি তাঁদের অ্যাকাউন্টে কোনও বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে কি না। এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “বিভিন্ন রাজ্যেই সক্রিয় ছিল এরা। উদ্ধার হওয়া দুই শিশুর মা-বাবার খোঁজ চলছে। যে সব শিশুকে পাচার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই, খোঁজ চলছে তাদেরও।”
সর্বশেষ খবর
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়
-
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, অস্বস্তির মাঝেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কলকাতা-সহ একাধিক জেলায়
-
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি! রাতারাতি ভাগ্যবদল যুবকের