সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফের সাফল্য কেন্দ্রীয় সরকারের। বৃহস্পতিবার পুলিশ জানিয়েছে ছত্তিসগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ করেছে ১৬ মাওবাদী। বুধবার রাতে বস্তারের নারায়ণপুরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা।
নারায়ণপুরের পুলিশ সুপার রবিনসন গুড়িয়া জানিয়েছেন, “তারা ‘ফাঁপা’ মাওবাদী আদর্শের প্রতি হতাশা, নিরীহ আদিবাসীদের উপর মাওবাদীদের নৃশংস আক্রমণ এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারনে আত্মসমর্পণ করেছেন।” তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ১৬ জনের মধ্যে মাওবাদী সংগঠনের উচ্চ পদের কোনও নেতা নেই। এরা মূলত জনতা সরকার, চেতনা নাট্য মণ্ডলী এবং পঞ্চায়েত মিলিশিয়ার মত শাখা সংগঠনের সদস্য। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, নিচু স্তরের নেতা হলেও বিভিন্ন নাশকতার ঘটনায় এই মাওবাদীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
সশস্ত্র মাওবাদী গোষ্ঠীগুলিকে রেশন, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহের সঙ্গে এরা সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। এর পাশাপাশি অস্ত্র ও বিস্ফোরক পরিবহণে সহায়তা করা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করার মত কাজ করত এরা।
আত্মসমর্পণ করা মাওবাদীদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থসাহায্য করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, সরকারি প্রকল্প অনুযায়ী সকলের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে ছত্তিসগড়ের তথাকথিত ‘রেড করিডোর’। অবুঝমাড়ের গভীর জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হয় পাঁচ মাওবাদী। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর থেকেই ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, ঝড়খণ্ডের মতো মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে মাওবিরোধী অভিযান ব্যাপক গতি পেয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের