Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Kashmir

৩ দিনে কাশ্মীরে খতম ১০ জঙ্গি, নিকেশ অভিনেত্রী আমরিন ভাট হত্যায় জড়িত দুই লস্কর কম্যান্ডারও

উপত্যকায় জঙ্গি দমনে বড় সাফল্য নিরাপত্তারক্ষীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২২, ০৯:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২২, ০৯:১৪

options
link
৩ দিনে কাশ্মীরে খতম ১০ জঙ্গি, নিকেশ অভিনেত্রী আমরিন ভাট হত্যায় জড়িত দুই লস্কর কম্যান্ডারও zoom

মাসুদ আহমেদ, শ্রীনগর: কাশ্মীরে লাগাতার ধরপাকড়ের জেরে বড় সাফল্য নিরাপত্তারক্ষীদের। ৩ দিনে নিকেশ হল ১০ জঙ্গি। খতম জঙ্গিদের মধ্যে কাশ্মীর অভিনেত্রী আমরিন ভাট হত্যাকাণ্ডে জড়িত জেহাদিরাও ছিল বলে জানিয়েছে কাশ্মীর পুলিশ।

কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে শ্রীনগরে সৌরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই লস্কর-ই-তইবা জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। দুই জঙ্গিকে শনাক্তও করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন শাকির আহমেদ ওয়াজা, অপরজন আফরিন আফতাব মালিক। কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, গত ৩ দিনে উপত্যকায় মোট ১০ জঙ্গি নিকেশ হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য। বাকি ৭ জন লস্করের সদস্য। কাশ্মীর পুলিশ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান চালিয়ে যে দুই লস্কর জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে তাদের কাছে AK-47 পিস্তলও উদ্ধার হয়েছে।

[আরও পড়ুন: বার্ষিক বেতন প্রায় ৮০ কোটি! দেশের সবচেয়ে ‘দামি’ CEO ইনফোসিসের সলিল পারেখ]

তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার হল, টেলিভিশন অভিনেত্রী আমরিন ভাটের মৃত্যুর পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তাঁর খুনের কিনারা করে ফেলেছে কাশ্মীর পুলিশ। যে জঙ্গিরা বাড়িতে গিয়ে অভিনেত্রীকে গুলি করে খুন করেছিল, সেই দুই জঙ্গিই ইতিমধ্যেই খতম হয়েছে। তারাও লস্কর সদস্য ছিল বলে দাবি পুলিশের। বুধবার সন্ধ্যায় অভিনেত্রীর বাড়ির সামনেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু জনপ্রিয় ওই অভিনেত্রীকে প্রাণে বাঁচানো যায়নি। অভিনেত্রীর ১০ বছরের ভাইপোও গুলিতে আহত হয়েছে।

[আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপীতে ‘শিবলিঙ্গ’ পাওয়ার পরে এলাকায় ছড়াচ্ছে বিশৃঙ্খলা, দাবি মসজিদ কমিটির]

টেলিভিশন অভিনেত্রী আমরিন ভাট কাশ্মীরে বেশ জনপ্রিয় মুখ। টিকটক-সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতেও বেশ সক্রিয় ছিলেন তিনি। ইসলামিক ফতোয়া না মানার জন্যই তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। আমরিনের মৃত্যুতে কাশ্মীর জুড়ে আতঙ্কের আবহ তৈরি হয়েছিল। তাঁর হত্যাকারীরা খতম হওয়ায় ভয়ের পরিবেশ কাটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.