সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে যখন পহেলগাঁওয়ের বদলায় ‘অপরেশন সিঁদুর’ চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা, সেই সময়েই তেলেঙ্গানা-ছত্তিশগড় সীমানায় ২২ মাওবাদীকে খতম করল নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী। গত ২১ এপ্রিল মাওবাদীদের বিরুদ্ধে তিন রাজ্য ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও তেলেঙ্গানা সীমানা ঘেঁষা পাহাড় ও জঙ্গলে সবথেকে বড় অভিযান শুরু হয়েছে। ১০০০ মাওবাদীকে ধরতে নামানো হয়েছে প্রায় ২০ হাজার যৌথ বাহিনী। সেই অভিযানেই কাররেগুট্টা পাহাড়ে নিহত হল ২২ মাওবাদী।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদ নির্মূলের ডেডলাইন দিয়েছেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, মোস্ট-ওয়ান্টেড মাও কমান্ডার হিদমা এবং ব্যাটালিয়ন প্রধান দেবা-সহ শীর্ষ নকশাল নেতাদের কাবু করতেই এই অভিযান। বর্তমান অপরেশনে রয়েছে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড, বাস্তার ফাইটার্স, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স, রাজ্য পুলিশের সবকটি বাহিনী, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স এবং কম্যান্ডো ব্যাটেলিয়নস ফর রিজোলুট অ্যাকশন।
এদিনের অভিযানের পর নিরাপত্তরক্ষী বাহিনীর তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তীব্র গরমে জঙ্গল-পাহাড় ঘেরা দুর্গম এলাকায় অভিযান চালানো কঠিন বিষয়। তার উপর পদে পদে ছিল মাইন পোতা। তারপরেও নিরাপত্তা বাহিনীর কেউ হতাহত হয়নি। ২২ মাওবাদী নিহত হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, চলতি বছরে শুধু ছত্তিশগড়ে ১৫০ জন মাওবাদীকে নিকেশ করেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। এর মধ্যে ১২৪ জন খতম হয়েছে বস্তার ডিভিশনে। গত সপ্তাহে ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলায় ৮ নকশালপন্থী নিহত হয়েছে। এর মধ্যে একজন মোস্ট ওয়ান্টেড মাওবাদীর মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা।
সর্বশেষ খবর
-
‘সব কর্মফল! তৃণমূল জিতলে স্বরূপ বিশ্বাসকে আটকানো মুশকিল হত’, বিস্ফোরক দেব
-
স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর সুরুচি সংঘে ভাঙচুর, মিলল কিং সাইজ বেড, রাশি রাশি সরকারি জলের বোতল
-
রবিবার ১৬ ঘণ্টা বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, চলবে রক্ষণাবেক্ষণ, কোন পথে যান চলাচল?
-
দাঁড়িয়ে পুজো করছেন? বাস্তুর ভুলে রুষ্ট হতে পারেন ইষ্টদেবতা, জানুন শাস্ত্রের নিয়ম
-
মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, কাটমানির দাবি! বাগনানে তৃণমূল বিধায়কের বাড়ির সামনে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ মহিলাদের