Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

প্রতিবেশীর হাতে ধর্ষিতা ২২ মাসের শিশু, চলছে বাঁচার লড়াই

জেরায় নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছে সে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৭, ১৫:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৭, ১৫:৩৫

options
link
প্রতিবেশীর হাতে ধর্ষিতা ২২ মাসের শিশু, চলছে বাঁচার লড়াই zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পোশাক যদি মহিলাদের ধর্ষণের জন্য দায়ি হয়ে থাকে, তবে ২-৩-৫ বছরের শিশুরাও কেন ধর্ষণের শিকার হয়। এ সমাজে প্রশ্নটা বারবারই ওঠে। কিন্তু সদুত্তর মেলে না। দিল্লির নির্ভয়া জীবনের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হার মেনেছিলেন। সেই রাজধানীরই আরেক ধর্ষিতা এখন জীবনের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তার বয়স মাত্র ২২ মাস। জন্মের পরেই মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে তাকে জীবনের যে চরম পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে, সে কথা শুনলেই শিউরে উঠতে হয়।

[চলতি মাসেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ]

111

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনা গত ৭ মে’র। পূর্ব দিল্লির বস্তি এলাকায় অন্যান্য দিনের মতো বাড়ির সামনে খেলা করছিল ২২ মাসের শিশু। ঠিক তখনই হরে রাম যাদব নামের স্থানীয় এক দর্জি তাকে তুলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। ফাঁকা বাড়িতে ১৫ মিনিট ধরে ধর্ষণ করা হয় দুধের শিশুকে। যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে সে। পুরুষত্বের খিদে মিটিয়ে বাড়ির সামনে বাচ্চা মেয়েটিকে ফেলে চলে যায় ৪৫ বছরের যাদব। সন্তানের কান্না আর চিৎকার শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন মা। কিছুতেই বুঝতে পারেন না, কেন মেয়ে এভাবে কেঁদেই চলেছে। শৌচালয়ে তাকে নিয়ে যেতেই আন্দাজ করতে পারেন, কী নৃশংস ঘটনা ঘটে গিয়েছে। শিশুর যৌনাঙ্গ থেকে অনবরত রক্ত বেরোতে থাকে। এরপরই শিশুকে নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ছুটে যান মহিলা। চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন, তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। যে শিশুর মুখে এখনও কথা ফোটেনি, সামান্য হাঁটতে শিখেছে, ধর্ষণের ফলে তার শরীর গুরুতর ক্ষতিগ্রস্থ।

[‘পাথর নিক্ষেপকারীকে নয়, অরুন্ধতী রায়কে বাঁধা হোক জিপের সামনে’]

স্থানীয় হাসপাতাল থেকে লোক নায়েক জয় প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শিশুকে। সেখানে চিকিৎসক জানান, শিশুকে বাঁচাতে হলে অস্ত্রোপচার করতেই হবে। অস্ত্রোপচার সফল হলেও মানিসক ট্রমা থেকে এখনও বেরোতে পারেনি ওই শিশু। কোনও অচেনা ব্যক্তিকে দেখলেই ভয় পায়। চিকিৎসকরা মনোবিদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন। নির্যাতিতার মা জানান, এই ঘটনায় এলাকার অনেকেই তাঁদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। শিশুর বাবা-মা ঠিক করেছেন, বড় হয়ে এ বিষয়ে মেয়েকে তাঁরা কিছু জানাবেন না। ঘটনার দিনই হরে রাম যাদবকে গ্রেপ্তার করেছিল গান্ধীনগর থানার পুলিশ। জেরায় নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছে সে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.