সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় নাকাল হিমাচলবাসী। বর্ষার মরসুমের শুরু থেকে অর্থাৎ ২০ জুন থেকে এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র হিমাচল প্রদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে মৃত্যু হয়েছে ২৯৮ জনের। রবিবার এই তথ্য প্রকাশ্যে আনল রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর।
রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত যে ২৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে ১৫২ জনের মৃত্যুর কারণ অতি বৃষ্টির জেরে ভূমিধস, হড়পা বান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে হড়পা বানে ভেঙে গিয়েছে ঘরবাড়ি। বাকি ১৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে গাড়ি দুর্ঘটনায়। এর নেপথ্যেও পরক্ষে রয়েছে অতিবৃষ্টি। রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে গাড়ি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত একমাসে এই বৃষ্টির ফলে হিমাচল প্রদেশের পরিকাঠামো ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪০০-র বেশি রাস্তা। এর সঙ্গে দুটি জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ৫১টি জায়গায় পানীয় জলের পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
শুধুমাত্র মান্ডি জেলায় ২২০টি রাস্তা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুল্লুতে ৩০৫নং জাতীয় সড়কের সঙ্গেই ১০১টি রাস্তা বন্ধ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বাঞ্জার ও বালিকচকের মতো জায়গাগুলি। চম্বলে ২৪টি রাস্তা বন্ধ। এছাড়া কাংড়া, উনা, সিমলা-সহ একাধিক জেলার বহু রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ পরিষেবাও বহু জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানীয় জলের পরিষেবাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে বহু জায়গায়। গুরুতর এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। তবে সেখানেও বাঁধ সেধেছে বৃষ্টি।
রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, কোথাও বিদ্যুতের তার খোলা অবস্থায় থাকলে অবিলম্বে প্রশাসনকে খবর দেওয়ার জন্য। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া দূরে সফর না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক