Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Lok Sabha

আর থাকছে না ‘ঔপনিবেশিক’ IPC! বদলে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ আনছে মোদি সরকার

তিন ফৌজদারি আইন বদলে বিল পেশ করলেন অমিত শাহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৩, ১৪:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৩, ১৪:১২

options
link
আর থাকছে না ‘ঔপনিবেশিক’ IPC! বদলে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ আনছে মোদি সরকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রিটিশ আমলের তিন ফৌজদারি আইনে বদল আনছে কেন্দ্র। আর থাকছে না ‘ঔপনিবেশিক’ ইন্ডিয়ান পেনাল কোড বা IPC। একই সঙ্গে বিলুপ্ত হতে চলেছে কোড অফ ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর বা সিআরপিসি, এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইন বা ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট। এই তিন ব্রিটিশ আমলের আইনের পরিবর্তে তিনটি নতুন আইন আনার লক্ষ্যে শুক্রবার তিনটি বিল এনেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

শাহর পেশ করা বিল অনুযায়ী, ১৮৬০ সালের ইন্ডিয়ান পেনাল কোড বা ভারতীয় দণ্ডবিধি এবার হতে চলেছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা। সিআরপিসি (CrPC) বদলে গিয়ে হবে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা। এবং এভিডেন্স অ্যাক্ট বদলে হবে ভারতীয় সাক্ষ্য আইন। শুক্রবার এই তিনটি বিলই লোকসভায় পেশ হয়েছে। তবে এখনও সেটা পাশ হয়নি। আরও পর্যালোচনার জন্য এই তিনটি বিল পাঠানো হয়েছে স্ট্যান্ডিং কমিটিতে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যু: স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে খুনের মামলা দায়ের বাবার, হস্টেলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন]

শাহ এদিন বলেন, ব্রিটিশ আমলে ইংরেজদের দাসত্বের প্রতীক ছিল এই IPC, এবং সিআরপিসি। আমাদের আমলে এই ব্রিটিশ আইন চলবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্রিটিশ আমলে এই আইপিসি ছিল ভারতীয়দের শাস্তি দেওয়ার আইন। শাস্তি দেওয়ায় ছিল এই আইনের মূল উদ্দেশ্য। ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা নয়। আমরা যে নতুন আইন আনব, সেটার মূল উদ্দেশ্য হবে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা।

[আরও পড়ুন: বাড়ির বাইরে রাত কাটানোর ‘শাস্তি’, মেয়েকে খুন করে মৃতদেহ বাইকে বেঁধে ঘোরালেন বাবা]

সূত্রের খবর, কেন্দ্র যে নতুন আইন আনছে তাতে পুরনো ইন্ডিয়ান পেনাল কোডের বেশ কিছু ধারা বাতিল করা হচ্ছে। কয়েকটি ধারা সংশোধনও করা হচ্ছে। একইভাবে সিআরপিসি এবং সাক্ষ্য আইনেও বেশ কিছু পরিবর্তন করা হচ্ছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সবকটা আইনের নামের ক্ষেত্রেই হিন্দি ভাষা প্রাধান্য পেয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.