Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Gujarat

হিরে মজুরের কানাকড়ি নেই! ২ সন্তান, স্ত্রীকে নিয়ে বিষ খেয়ে মৃত্যু গুজরাটে

২ সন্তান এবং স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৩, ১৭:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৩, ১৭:৫৭

options
link
হিরে মজুরের কানাকড়ি নেই! ২ সন্তান, স্ত্রীকে নিয়ে বিষ খেয়ে মৃত্যু গুজরাটে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “…হিরের খনির মজুর, তবু কানাকড়ি নাই!” ‘হিরক রাজার দেশে’, সত্যজিৎ রায়ে লেখা গান, বাস্তব চেহারা পেল গুজরাটের (Gujarat) সুরাট শহরে। স্ত্রী এবং সন্তানদের নিয়ে বিষ খেলেন হিরে শিল্পে কর্মরত এক ব্যক্তি। ইতিমধ্যে দুই সন্তান এবং স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ৫৫ বছরের বিনুভাই মোরদিয়া। পুলিশ জানিয়েছে, অভাবের তাড়নাতেই চরম সিদ্ধান্ত নেন বিনু।

৪ সন্তানের পিতা হিরে শিল্পী বিনু মোরদিয়া। ২ ছেলে এবং ২ মেয়ে। সব মিলিয়ে ছ’টি পেট। সারাদিন বহুমূল্যের রত্না সম্ভারে মধ্যে কাটালেও মাসিক আয় মেরেকেট ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। অগ্নিমূল্য বাজারে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছিল। এদিকে প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলেছে। এই অবস্থায় চরম সিদ্ধান্ত নেন বিনু।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মুম্বইয়ে লিভ ইন সঙ্গী খুনের ঘটনায় সরব বিরোধীরা, এতদিন মুখ খোলেননি কেন, তোপ BJPর]

পুলিশ জানিয়েছে, বিষ খাবেন বলেই বুধবার সন্ধ্যায় ২ সন্তানকে বাড়িতে রেখে ২ ছেলেমেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে নির্জন খালের ধারে চলে যান তিনি। এরপর চারজন মিলে বিষপান করেন। স্থানীয়রাই চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করেন। সেখানেই মৃত্যু হয় স্ত্রী সারদাবেন (৫০), বড় ছেল কৃষ (২০) এবং কন্যা সেনিতার (১৫)। এসিপি পিকে পটেল জানিয়েছেন, পুলিশের প্রাথমিক অনুমান অভাবের কারণেই আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বিুন।

[আরও পড়ুন: রাহুলের ছেড়ে আসা ওয়ানড়ে উপনির্বাচনের তোড়জোড় শুরু কমিশনের, ধন্দে রাজনৈতিক মহল]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষপানের কিছু আগে বিনু ফোন করেছিলেন সম্পর্কে তাঁর এক ভাই প্রবীণভাইকে। বলেন, তাঁদের অবর্তমানে জীবিত দুই সন্তানের যেন দেখভাল হয়। এর পরেই অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইডের ট্যাবলেট খান চার জন মিলে। প্রবীণের দাবি, ভাই কখনই অভাবের কথা জানাননি। সেক্ষেত্রে সাহায্য করতেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন তিনি। ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছে চারজনের। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.