Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Credit Card Fraud

ক্রেডিট কার্ডের ফাঁদ! টাকা শোধ দিতে না পেরে ‘আত্মঘাতী’ একই পরিবারের ৩

ক্রেডিট কার্ডে ঋণে জর্জরিত হয়ে লাগাতার মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল ওই পরিবার যার জেরেই চরম সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। ঘটনার তদন্তে নেমে বৈভব রোংটা নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ২১:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ২১:৩৪

options
link
ক্রেডিট কার্ডের ফাঁদ! টাকা শোধ দিতে না পেরে ‘আত্মঘাতী’ একই পরিবারের ৩ zoom

সুরাটে একই পরিবারের তিন সদস্যের আত্মহত্যার ঘটনায় সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ক্রেডিট কার্ডে ঋণে জর্জরিত হয়ে লাগাতার মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল ওই পরিবার যার জেরেই চরম সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। ঘটনার তদন্তে নেমে বৈভব রোংটা নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই আত্মহত্যার ঘটনায় পাওয়া সুইসাইড নোট ও কোনও মতে বেঁচে যাওয়া ৭ বছরের এক বালিকার বয়ানের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ পুলিশের।

সম্প্রতি গুজরাটের সুরাটে আত্মঘাতী হন একই পরিবারের তিন সদস্য। মৃতরা হলেন, বালমুকুন্দ খেতান, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ও এক সন্তান। খেতান পরিবারের আর এক সদস্য ৭ বছরের কন্যা কোনও মতে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। এই মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ হিন্দিতে লেখা ৩ পাতার একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করে। শেয়ার বাজারের দালাল বৈভব বালমুকুন্দের ক্রেটিড কার্ড ব্যবহার করে শেয়ার বাজারে বিপুল টাকা বিনিয়োগ করেন। সেই টাকা শোধ দিতে পারছিল না পরিবারটি। উলটে জরিমানার পরিমাণ দিনে দিনে বাড়ছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শেয়ার বাজারের দালাল বৈভব বালমুকুন্দের ক্রেটিড কার্ড ব্যবহার করে শেয়ার বাজারে বিপুল টাকা বিনিয়োগ করেন। সেই টাকা শোধ দিতে পারছিল না পরিবারটি। উলটে জরিমানার পরিমাণ দিনে দিনে বাড়ছিল।

এই অবস্থায় বৈভবের কাছে টাকা ফেরত চাইলে। বালমুকুন্দকে সে টাকা ফেরানো তো দূর উলটে গালিগালাজ করে। এই অবস্থায় বিপুল ঋণের মধ্যে পড়ে শেষ পর্যন্ত আত্মঘাতী হয় পরিবারটি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বালমুকুন্দের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা প্রথমে তাঁর দুই সন্তানকে চামচে করে বিষ খাওয়ায়। এরপর নিজেরা তা খান। মৃত্যুর আগে প্রিয়াঙ্কা তাঁর বাবাকে ফোন করে বিষ খাওয়ার কথা জানান।

প্রতিবেশীদের উদ্যোগে এরপর তড়িঘড়ি ওই পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যু হয় ৩ জনের। যদিও প্রাণে বেঁচে যান ৭ বছরের মেয়েটি। মেয়েটির বয়ান ও সুইসাইড নোটের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি থেকে অভিযুক্ত বৈভবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.