BREAKING NEWS

১৯ আষাঢ়  ১৪২৭  শনিবার ৪ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

অয্যোধ্যায় মসজিদ তৈরির জন্য এই জমিই দিতে হবে, সুর চড়ালেন মুসলিম নেতারা

Published by: Souptik Banerjee |    Posted: November 13, 2019 9:54 pm|    Updated: November 13, 2019 9:54 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক : সুপ্রিম কোর্টের রায় বেরিয়ে গিয়েছে। মন্দির তৈরি হবে অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে। কিন্তু এবার নতুন দাবি তুললেন কিছু মুসলিম নেতা। তাঁরা বলছেন, মসজিদ হলে অযোধ্যায় কেন্দ্রের ৬৭ একর জমির মধ্যেই হবে। আলাদা কোনও স্থানে পাঁচ একর জমি নিয়ে মসজিদ তৈরিতে আপত্তি রয়েছে তাঁদের।

সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে যে মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমি দিতে হবে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে। সেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই অযোধ্যা মামলার মুসলিম পক্ষের প্রধান আইনজীবী ইকবাল আনসারি এবং আরও কয়েকজন স্থানীয় মুসলিম নেতা দাবি করেছেন যে অযোধ্যায় অধিগ্রহণ করা ৬৭ একর জমির মধ্যেই মসজিদ নির্মাণের জন্যে জমি বরাদ্দ করতে হবে। ১৯৯১ সালে অযোধ্যার রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ সংলগ্ন বিতর্কিত স্থানটি-সহ গোটা জমি অধিগ্রহণ করে কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি বলেছেন, ‘ওঁরা যদি আমাদের জমি দিতেই চান তবে ওঁদের অবশ্যই আমাদের সুবিধার কথাও মাথায় রাখা উচিত। আমরা চাই অধিগ্রহণ করা ৬৭ একর জমির মধ্যেই আমাদের জমি দেওয়া হোক। তবেই আমরা তা নেব। নইলে আমরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করব। অনেকেই বলছেন, এই জায়গার বাইরে চলে যান। সেখানে গিয়ে মসজিদ নির্মাণ করুন। এটি ন্যায্য কথা নয়’।

[আরও পড়ুন :জেএনইউতে ছাত্র আন্দোলনের চাপে পিছু হঠল কেন্দ্র, ফি বৃদ্ধি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত]

মুসলিম পক্ষেরই এক মামলাকারী হাজি মেহবুব বলেন, ‘আমরা এই প্রস্তাব গ্রহণ করব না। ওঁদের অবশ্যই পরিষ্কার করে জানাতে হবে যে ওঁরা আমাদের কোথায় জমি দিচ্ছেন।’ অযোধ্যা পুর কর্পোরেশনের হাজি আসাদ আহমেদ সাফ বলেন, ‘বাবরি মসজিদের বদলে মুসলিম সম্প্রদায় কোনও অন্য জমি চায় না। তিনি বলেন, ‘আদালত বা সরকার যদি মসজিদের জন্য জমি দিতে চায় তবে তাদের অবশ্যই ওই ৬৭ একর জমির মধ্যে থেকেই আমাদের দিতে হবে, আর নাহলে আমাদের ওই অনুদান চাই না’।

গত শনিবারই অযোধ্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ওই রায়ে বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি রাম মন্দির নির্মাণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি মসজিদ নির্মাণের জন্য ৫ একর জমি দেওয়ার বিধান দেয় শীর্ষ আদালত।

[আরও পড়ুন :ঐতিহাসিক রায়, তথ্য জানার অধিকারের আওতায় প্রধান বিচারপতির দপ্তর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement