Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Madhya Pradesh

মধ্যপ্রদেশে বিয়ারের কারখানায় শিশুশ্রমিক! হাতে-পায়ে পোড়ার ক্ষত, উদ্ধার ৫৮ বালক-বালিকা

প্রত্যেকদিন স্কুলবাসে চাপিয়ে শিশুশ্রমিকদের কারখানায় নিয়ে আসা হত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৪, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৪, ১৬:১৫

options
link
মধ্যপ্রদেশে বিয়ারের কারখানায় শিশুশ্রমিক! হাতে-পায়ে পোড়ার ক্ষত, উদ্ধার ৫৮ বালক-বালিকা zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ার তৈরির কারখানায় আটকে ৫৮ জন শিশুশ্রমিক! প্রত্যেকের হাতে-পায়ে পোড়ার ক্ষত। মধ্যপ্রদেশের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে আটকে থাকা শিশুশ্রমিকদের। এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। মুখ খুলেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবও।

জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) রাইসেন জেলার একট বিয়ার তৈরির কারখানায় কাজ করানো হত শিশুদের। ISO অনুমোদনপ্রাপ্ত সোম ডিস্টিলারিস অ্যান্ড ব্রিউয়ারিস কোম্পানির বিরুদ্ধে শিশুশ্রমিকদের ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। বিয়ার ছাড়াও দেশি মদ এবং নানা ধরনের পানীয় তৈরি হয়। সেখানেই দীর্ঘদিন ধরে কাজ করানো হত ৫৮ জন শিশুশ্রমিককে। জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে ৩৯ জন বালক এবং ১৯ জন বালিকা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: শিক্ষার ‘নাগপাশ’! কোটায় ফের বলি সতেরোর নাবালক

শিশুশ্রমিক ব্যবহারের খবর পেয়ে ওই কারখানায় অভিযান চালায় জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বচপন বাঁচাও আন্দোলন। শনিবার কারখানায় অভিযান চালানোর পরেই উদ্ধার করা হয় শিশুশ্রমিকদের। তাদের প্রত্যেকেরই হাতেপায়ে পোড়ার আঘাত রয়েছে, কারণ ঝাঁজালো তরল দিয়ে বিয়ারের মতো পানীয় তৈরি করতে হয় তাদের। চরম অস্বাস্থ্য়কর পরিবেশে দিনের পর দিন কাজ করেছে শিশুশ্রমিকরা। প্রত্যেকদিন স্কুলবাসে চাপিয়ে তাদের কারখানায় নিয়ে আসা হত। দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করতে হত তাদের।

গোটা ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চেয়েছে বচপন বাঁচাও আন্দোলন। দোষীর দ্রুত শাস্তির আবেদনও করেছেন তাঁরা। সমস্ত ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব (Mohan Yadav)। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “শ্রম এবং আবগারি দপ্তরের থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সঠিক পদক্ষেপ করার জন্য। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।” তবে প্রশ্ন উঠছে, দিনের পর দিন প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এভাবে শিশুশ্রমিকদের ব্যবহার হচ্ছিল কী ভাবে?

[আরও পড়ুন: স্পিকার নির্বাচনে বিজেপিকেই সমর্থনের ইঙ্গিত নীতীশ-চন্দ্রবাবুর! ডেপুটি স্পিকার পদ চায় INDIA

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.