১৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৯  বুধবার ৩০ নভেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

মোদির নোট বাতিলের ধাক্কায় জঙ্গি হামলা কমল ৬০ শতাংশ

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 7, 2017 4:05 pm|    Updated: January 7, 2017 4:05 pm

60% dip in terror related incident in J&K after note ban

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নোট বাতিলের ধাক্কায় জেরবার জঙ্গি নেটওয়ার্ক। কোমর ভেঙে গিয়েছে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোর। পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়ে যাওয়ার পর শান্তি ফিরে এল কাশ্মীর উপত্যকায়। ৮ নভেম্বর, প্রধানন্ত্রীর আকস্মিক ঘোষণার পর থেকে কাশ্মীরে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর-ঢিল ছোঁড়া বন্ধ। জঙ্গি গতিবিধি হ্রাস পেয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ, দাবি কেন্দ্রীয় গোযেন্দা সংস্থাগুলির।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পুরনো বড় নোট, যেমন ৫০০ ও ১০০০ টাকার মাধ্যমেই চলত জঙ্গিদের সমস্ত লেনদেন। নিরাপত্তাবাহিনীর উপর পাথর ছোঁড়া থেকে শুরু করে অস্ত্রশস্ত্র বা মোবাইল কেনা, সমস্তটাই চলত ওই নোটের মাধ্যমে। বড় নোটগুলির একটা বড় অংশই ছিল জাল নোট, ছাপা হত পাকিস্তানে। কিন্তু এখন সীমান্তের ওপার থেকে টাকার জোগান থেমে গিয়েছে। নরেন্দ্র মোদির ধুরন্ধর বুদ্ধিতে মাত পাকিস্তানের জাল নোটের কারবারিরা। ফলে প্রবল চাপের মুখে পড়েছে জঙ্গি সংগঠনগুলি। উপত্যকায় ছড়িয়ে থাকা টেরর নেটওয়ার্ক ছেড়ে একে একে বেরিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির সদস্যরা। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, টাকা না পেয়ে পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের আশ্রয় দিতে চাইছে না স্লিপার সেলগুলিও। একদিকে নোট বাতিলের ধাক্কা ও অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাগাতার চিরুনি তল্লাশিতে দিশেহারা জঙ্গিরা। মারা পড়ছে একের পর এক জঙ্গি। খতম হয়ে যাচ্ছে জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক।

পাকিস্তানের করাচি ও কোয়েটার ছাপাখানায় ছাপা হত ৫০০ ও ১০০০ টাকার জাল ভারতীয় মুদ্রা, জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোযেন্দারা। নোট বাতিলের জেরে এখন সেই সব টাকা রদ্দি কাগজ। ভারতে অনুপ্রবেশ করার সময় জঙ্গি পিছু ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা দেওয়া হয় লস্কর-এ-তৈবা ও জৈশ-এ-মহম্মদের মতো সংগঠনের সন্ত্রাসবাদীদের। সেই টাকাতেই জঙ্গিরা ভারতে ঢুকে রসদ সংগ্রহ করত। টাকা না পাওয়ায় এবার তারাও আর বেশিদিন লুকিয়ে থাকতে পারছে না, ফলে বহু জঙ্গি ধরা পড়ে যাচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে।

জঙ্গি সংগঠন ছাড়াও নোট বাতিলের বিস্তর প্রভাব পড়েছে হাওয়ালা কারবারিদের উপরও। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, গত ৮ নভেম্বরের পর হাওয়ালা কারবারিদের মধ্যে টেলিফোনিক কথাবার্তা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে গেছে। যেহেতু হাওলার লেনদেন নগদ নির্ভর, তাই নগদ টাকা হাতে না থাকায় ধস নেমেছে এই কারবারে।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে