Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬

বন্ধ হওয়ার মুখে দেশের ৮০০টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

জানেন, কেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৯:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৯:১৪

options
link
বন্ধ হওয়ার মুখে দেশের ৮০০টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাঙ্কের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। কিন্তু, এই সব কলেজের পড়াশোনার মান ও পরিকাঠামো নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। অনেক কলেজে তো ভর্তিই হতে চাইছেন না ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ারা। বছর বছর কমছে পড়ুয়ার সংখ্যা। খালি থাকছে আসন। তাই সারা দেশে ৮০০টি  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বন্ধ করে দিতে চাইছে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন বা AICTE। একথা জানিয়েছেন সংস্থার চেয়ারম্যান অনিল দত্তাত্রেয়।

[নোট বাতিলে বড় সংকট থেকে বেঁচেছে দেশ, মত অনিল বোকিলের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বস্তুত, কাউন্সিল অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন বা AICTE নিয়মই আছে, যেসব ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পরিকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে এবং পরপর পাঁচ বছর ৩০ শতাংশ আসন খালি থাকে, সেসব ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলি বন্ধ করে দিতে হবে। সেই নিয়মে প্রতিবছর এদেশের প্রায় দেড়শোর মতো ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এমনিতেই বন্ধ হয়ে যায়। আবার অনেক সময়  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে ‘প্রোগেটিভ ক্লোজার’-এর অনুমোদন দেয়  AICTE। সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০১৭-১৭ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত সারা দেশের ৪১০টিরও বেশি  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের  ‘প্রোগেটিভ ক্লোজার’-এর আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, হরিয়ানা,  গুজরাত ও মধ্যপ্রদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এই  ‘প্রোগেটিভ ক্লোজার’-এর আবেদন জানিয়েছে।

[মোদি কথাই শুনতে চান না, বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি সাংসদের]

দেশে সব রাজ্যে এখন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সংখ্যা বাড়ছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতিযোগিতাও। আর সেই প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে প্রথম বর্ষে পড়ুয়া ভরতি না নেওয়ার অনুমতি চেয়ে AICTE-এর কাজে আবেদন করে অনেক  ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কর্তৃপক্ষ। এটাকেই বলে ‘প্রোগেটিভ ক্লোজার’। সবমিলিয়ে ছাত্র ভর্তির সমস্যাই হোক কিংবা পরিকাঠামোর ঘাটতি, দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলির অবস্থা  যে ভাল নয়, তা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নিয়মিত সিলেবাস পর্যালোচনা ও পরিমার্জন করার পরামর্শ দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন বা AICTE-এর চেয়ারম্যান অনিল দত্তাত্রেয়। তিনি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়ুয়াদের যাতে শিল্প সংস্থায় চাকরি করার উপযোগী করে তোলা যায়, সেদিকে নজর দিচ্ছে AICTE। চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই তৃতীয় বর্ষের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের ইন্টার্নশিপ বাধ্যতামূলক করা হবে।

[প্রথমবার সেলফি, শিশুর সঙ্গে হাসিমুখে ‘পোজ’ প্রণব মুখোপাধ্যায়ের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.