সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারের বাসিন্দা অভিনব৷ অভিনবর বাবা বিহারে একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত৷ কর্মসূত্রে তিনি ও তাঁর পরিবার পাটনায় থাকতেন৷ পাটনায় একটি বড় অ্যাপার্টমেন্টে তাঁরা থাকতেন৷ ২০১৩ সাল পর্যন্ত অভিনব এবং তাঁর পরিবার সেই অ্যাপার্টমেন্টেই থাকতেন৷ কিন্তু এক রাতে বিভীষিকার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিনব৷ আর তারপরেই তাঁরা সেই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান৷
হঠাৎই কাজের প্রয়োজনে দিল্লি যেতে হয়েছিল অভিনবর বাবাকে৷ স্বামীর সঙ্গে দিল্লি গিয়েছিলেন অভিনবর মাও৷ তাঁরা চেয়েছিলেন অভিনবকেও ব্সঙ্গে নিয়ে যেতে৷ কিন্তু স্কুলে পরীক্ষা থাকার জন্য তাঁদের সঙ্গে যেতে রাজি হননি অভিনব৷ বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করা তাঁর জরুরি মনে হয়েছিল৷
অভিনবর কথায় রাজি হয়ে গিয়েছিলেন তাঁর পরিবার৷ আর তাই প্রতিবেশী অজয়ের কাছে ছেলের কয়েকদিনের দায়িত্ব দিয়ে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তাঁরা৷ অজয় অবিবাহিত৷ তিনি বাড়িতে একটি পোষ্য জার্মান শেপার্ড নিয়ে থাকতেন৷ পরীক্ষার আগের দিন বহুক্ষণ পড়াশোনা করেছিলেন অভিনব৷ পড়া শেষে প্রতিবেশী অজয়ের বাড়িতেই ডিনার সেরেছিলেন অভিনব৷ এরপর অজয় তাঁকে রাতে নিজের বাড়িতে থাকতে বললেও বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলেন অভিনব৷
অভিনবর এই সিদ্ধান্তে অজয় বিশেষ খুশি হননি৷ কিন্তু অভিনবকে তিনি নিজের বাড়িতে থাকতে বাধ্য করেননি৷ তিনি শুধু অভিনবকে নিজের পোষ্য সারমেয়টিকে নিয়ে যেতে বলেন৷ শেপার্ডটিকে নিয়ে অভিনব বাড়ি ফিরে আসেন৷ রাতে ঘুমিয়ে পড়লে হঠাৎ শেপার্ড মন্টি খুব জোরে চিৎকার করতে শুরু করে৷ চেষ্টা করেও অভিনব পোষ্য চিৎকার থামাতে পারেননি৷ এরপর একটা সময় বিরক্ত হয়ে ফ্রিজ থেকে জল খেতে আসেন অভিনব৷ আর ঠিক তখনই সেই ভয়ানক পরিস্থিতির সন্মুখীন হন অভিনব৷
সারা বাড়ি সেই সময় অন্ধকারই ছিল৷ হঠাৎ ফ্রিজের সামান্য আলোয় তিনি দেখেন ঘরের কোনে দাড়িয়ে রয়েছে এক বালক৷ কালো পোশাক পরা৷ সেই ছেলেটি কী ভাবে ঘরের ভিতরে এল তাও বুঝে উঠতে পারছিলেন না তিনি৷ শুধু তাই নয়, সেই বালক অদ্ভুত এক শীতল দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল অভিনবর দিকে৷ একভাবে চেয়ে থাকার কিছুক্ষণ পড়ে অভিনব খেয়াল করেন তিনি নিজের জায়গা থেকে নড়তে পারছেন না৷ আর ঠিক সেই সময়ই খুব চিৎকার করে ঘরের মধ্যে আসে মন্টি৷ ওই ছেলেটির দিকে আগ্রাসীভাবে তেড়ে যায়৷
কুকুরটিকে দেখেই ছেলেটি সামনের জালনা দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ গোটা ঘটনায় খুবই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন অভিনব৷ তিনি সম্বিৎ ফিরে পেতেই ছুটে জানালার কাছে যান এবং দেখেন কেউ নিচে নেই৷ এমনই এক পরিস্থিতি যেন কেউ জানালা থেকে ঝাঁপ দিয়ে হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছে৷
কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভয় তিনি পেয়েছিলেন যখন তিনি বুঝতে পারলেন জানালায় গ্রিল রয়েছে৷ আর গ্রিলওয়ালা জানালা দিয়েই ওই বালক ঝাঁপ দিয়ে দিল৷
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার