সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রমরমিয়ে ভুয়ো আধার কার্ড তৈরির চক্র চলছিল উত্তরপ্রদেশে! সেই আধার কার্ড পৌঁছে যাচ্ছিল রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি ও নেপালিদের হাতে। প্রকাশ্যে এল এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ । যোগীরাজ্যর এই চক্র অবশেষে পুলিশের জালে। দাবি, গ্রেপ্তার হয়েছে পুরো দলটাই। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছিল এমন এক চক্র?
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যাচ্ছে, ভুয়ো আধার কার্ড তৈরির অভিযোগে ওই চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ দল এটিএস। দলের পান্ডাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ভুয়ো আধার কার্ডের পাশাপাশি আধার কার্ডের জন্য জরুরি ভুয়ো নথিও তৈরি করত দুষ্কৃতীরা। উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা করেছে।
পুলিশকর্তা অমিতাভ যশ জানিয়েছেন, ”এই চক্রের সঙ্গে এমন বহু ব্যক্তির যোগাযোগ ছিল যাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্বের বৈধ কাগজপত্র নেই। কিংবা জন্মের তারিখ বা সরকারি তথ্য পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। এমন ব্যক্তিদের জন্য ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র, বাসস্থান প্রমাণপত্র ও হলফনামাও তৈরি করা হত, যাতে আধার কার্ড সংশোধন বা নতুন কার্ড ইস্যু করানো যায়।”
গত কয়েক মাস ধরেই নানা তথ্য হাতে আসছিল। অবশেষে শুক্রবার পুলিশের অভিযানে ধরা পড়েছে গোটা দলটি। জানা যাচ্ছে, চক্রটি উত্তরপ্রদেশ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, দিল্লি-এনসিআর, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও উত্তরাখণ্ডেও সক্রিয় ছিল। প্রতি ভুয়ো আধার কার্ড পিছু চক্রটি ২ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিত। অভিযান চালিয়ে আধার কার্ড তৈরির নানারকম যন্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের ভুয়ো সিলমোহর, আধার কার্ড ও নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের
-
উন্নত রাডারেও অদৃশ্য! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতকে সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের