Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Prashant Kishor

প্রশান্ত কিশোরের পৈতৃক বাড়ির একাংশ গুঁড়িয়ে দিল বিহার প্রশাসন, নেপথ্যে রাজনৈতিক চক্রান্ত?

জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য ভাঙা হয়েছে বাড়ির দেওয়াল, দাবি কর্তৃপক্ষের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১, ১৩:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১, ১৩:১৯

options
link
প্রশান্ত কিশোরের পৈতৃক বাড়ির একাংশ গুঁড়িয়ে দিল বিহার প্রশাসন, নেপথ্যে রাজনৈতিক চক্রান্ত? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৮৪ নম্বর জাতীয় সড়কের (NH 84) ধারে বাড়ি। দেওয়ালের খানিকটা অংশ জাতীয় সড়কের উপরেই পড়েছে। আর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য সেই অংশটুকু ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। ঘটনাস্থল বিহারের বক্সার। যে বাড়ির একাংশ এভাবে ভাঙা পড়ল, তা তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) পৈতৃক বাড়ি। ফলে স্বভাবতই ঘটনায় রাজনৈতিক রং লেগেছে। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, তাঁর বাড়ির ওই অংশটুকু সড়ক সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তাই কাজের জন্যই তা ভেঙে ফেলা হল।

বিহারের (Bihar) বক্সারের আহিরৌলি গ্রাম। সেখানেই পৈতৃক বাড়ি জেডিইউ’র প্রাক্তন সহ-সভাপতি, বর্তমানে তৃণমূলের নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরের। বাড়িটি তাঁর বাবা ডক্টর শ্রীকান্ত পাণ্ডের তৈরি। পরবর্তীতে অবশ্য প্রশান্ত কিশোর নিজে আর ওই বাড়িতে বসবাস করতেন না। সেই বাড়িরই পাঁচিল-সহ একাংশ ভাঙা পড়ল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাত্র ১০ মিনিটেই বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে ওই অংশটি। সম্প্রতি ৮৪ নং জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে হাত দিয়েছে সরকার। তাতে প্রশান্ত কিশোরের বাড়ির ওই অংশের জমিটি প্রয়োজন।তাই তা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বিনিময়ে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবেও বলেও জানানো হয়েছে প্রাক্তন জেডিইউ (JDU) নেতাকে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পিকে ওই ক্ষতিপূরণের টাকা গ্রহণ করেননি বলে খবর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারত-চিন সীমান্তে শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ, গালওয়ান পরিদর্শনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি]

তবে এই ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধিও দেখছেন অনেকে। এই মুহূর্তে বিহারে নীতীশ সরকারের দল জেডিইউ থেকে বহিষ্কৃত প্রশান্ত কিশোর। তৃণমূল (TMC) নেত্রীর ভোটকুশলী তিনি। বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়। এখন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের জন্য বিরোধী মতামত সম্পন্ন এক রাজনৈতিক নেতার বাড়ির এই কোপ পড়ল কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসনের দাবি, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে যা প্রয়োজন ছিল, সেটাই করা হয়েছে। এর মধ্যে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই।

[আরও পড়ুন: সন্তান জন্মের আগেও সেরেছেন বৈঠক, ‘কাজপাগল’ জয়পুরের মেয়রকে কুর্নিশ নেটিজেনদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.