২৮ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানাটানির সংসার৷ দুবেলা দুমুঠো পেটভরা খাবার জোটাই দায়৷ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে৷ খুব বেশি হলে প্রতি মাসে ৮০০ টাকা বিদ্যুতের বিল আসে৷ অথচ ওই পরিবারেই বিদ্যুতের বিল এসেছে ১২৮ কোটি ৪৫ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪৪৪ টাকা৷ বিপুল অঙ্কের বিল মেটাতে না পারায় লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন ওই পরিবারের সদস্যরা৷

[ আরও পড়ুন: বৈদ্যুতিন চুল্লি নয়, অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী CNG-তে শেষকৃত্য হবে শীলা দীক্ষিতের]

দিল্লি থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরের উত্তরপ্রদেশের হাপুরের চামরির বাসিন্দা শামিম৷ শুধু আলো, পাখা ছাড়া আর কিছুই নেই তাঁর বাড়িতে৷ প্রতি মাসে খুব বেশি হলে ৭০০ কিংবা ৮০০টাকা বিদ্যুতের বিল আসে তাঁদের৷ কিন্তু চলতি মাসে তাঁদের বিল এসেছে ১২৮ কোটি ৪৫ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪৪৪ টাকা৷ শুধুমাত্র আলো এবং পাখা চালিয়ে কীভাবে এত টাকা বিল আসতে পারে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পারছেন না শামিম এবং তাঁর স্ত্রী৷ মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়ার ক্ষমতা নেই ওই দম্পতির৷ তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তর তাঁদের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিয়েছে৷ এ বিষয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে৷ ইঞ্জিনিয়ার রাম শরণ বলেন, ‘‘যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই এই বিল এসেছে। পুরনো একটি বিল নিয়ে এলে টাকার অঙ্ক ঠিক করে দেওয়া হবে৷’’

[ আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে দলিত যুবককে মার, গায়ে পেট্রল ঢেলে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা]

এই প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার ভুল অঙ্কের বিল পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে বিদ্যুৎ দপ্তরের বিরুদ্ধে৷ গত জানুয়ারি মাসে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন কনৌজের বাসিন্দা আবদুল বসিত। ২৩ কোটি টাকার বিল পাঠানো হয়েছে তাঁকে। বিপুল অঙ্কের বিদ্যুতের বিল হাতে পেয়ে আত্মহত্যার ঘটনাও নতুন কিছুই নয়৷ এর আগে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে সবজি বিক্রেতার কাছে ৮ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকার বিদ্যুতের বিল এসেছিল৷ এরপরই আত্মহত্যা করেছিলেন ওই সবজি বিক্রেতা৷ এই অভিযোগে বিদ্যুৎ দপ্তরের অ্যাকাউন্ট অ্যাসিস্ট্যান্টকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং