সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ত্রিপুরা (Tripura) তৃণমূলে ভাঙন। এবার দল ছাড়লেন রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি আবদুল বাসিত খান। তাঁর কথায়, “তৃণমূল দুর্নীতিতে জর্জরিত।” সেই কারণেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি আবদুল বাসিত খানের।
বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর থেকেই সর্বভারতীয় রাজনীতিতে নিজেদের মাটি শক্ত করতে ঝাঁপিয়েছিল ঘাসফুল শিবির। ত্রিপুরা-সহ একাধিক রাজ্যে নিজেদের সংগঠনকে চাঙা করতে মাঠে নেমেছিল। ত্রিপুরার মসনদ দখলের স্বপ্নও দেখেছিল। কিন্তু সেখানকার পুরভোটের ফল আশানুরূপ হয়নি। কিন্তু নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতে মরিয়া ছিল তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল ছাড়লেন ত্রিপুরার সহ-সভাপতি আইনজীবী আবদুল বাসিত খান।
[আরও পড়ুন: মুজফ্ফরনগরের ছায়া বিহারে, সরকারি হোমের প্রধানের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ]
রবিবার অব্যাহতি চেয়ে ত্রিপুরার ভারপ্রাপ্ত নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি পাঠান তিনি। কিন্তু কেন এই দলত্যাগ? আবদুল বাসিত খানের কথায়, তিনি ২০১৪ সাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে তৃণমূল দুর্নীতিতে জর্জরিত। সেই কারণেই দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। দুর্নীতির অভিযোগ তাঁর এই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত তৃণমূল শিবিরের অস্বস্তি বাড়াচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।
প্রসঙ্গত, একদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডল। দু’জনের বিরুদ্ধে একের পর এক বিভিন্ন দু্র্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তাতে নাম জড়িয়েছে আরও নেতাদের। তা নিয়ে চাপানউতোর বাংলাজুড়ে। তার প্রভাব এবার ত্রিপুরাতেও।
[আরও পড়ুন: ‘২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত দেশ হয়ে উঠবে ভারত’, গুজরাটে দৃপ্ত ঘোষণা মোদির]
সর্বশেষ খবর
-
যুবতীর দেহ হাসপাতালে রেখেই পলাতক, খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার লিভ ইন পার্টনার-সহ ২
-
পুড়ল হেমন্ত-রাহুলের কুশপুতুল, পদত্যাগের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের ডাক ঝাড়খণ্ডের ছাত্রবিক্ষোভে
-
ঢাকার পাক দূতাবাসের মদতে পাকিস্তানে ভারতীয় সিমকার্ড পাচার! কোচবিহার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়
-
পঞ্চভূতে বিলীন রাজা সেন, চোখের জলে বিদায় জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালককে
-
‘কী করছেন, সমস্ত রিপোর্ট আছে’, দলের বিধায়কদের চরম হুঁশিয়ারি শমীকের