Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
জোম্যাটো

কাজ ফেলে দুধের শিশুর প্রাণরক্ষা, জোম্যাটো কর্মীর মানবতাকে কুর্নিশ নেটিজেনদের

পেশাগত সাফল্যের থেকে মানবতাই যে আসল, তারই প্রমাণ দিলেন ডেলিভারি বয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৪:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৪:০৮

options
link
কাজ ফেলে দুধের শিশুর প্রাণরক্ষা, জোম্যাটো কর্মীর মানবতাকে কুর্নিশ নেটিজেনদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেরিয়ারের ইঁদুরদৌড়ে শামিল আমরা। পেশাগত ক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য অনেক সময় দায়দায়িত্বও ভুলে যাই। নিজের কথা ভাবতে গিয়ে হয়ে যাই স্বার্থপর। এই পরিস্থিতিতে নিজের চাকরির কথা ভুলে দায়িত্ববান নাগরিকের মতো একটি শিশুর প্রাণ বাঁচালেন এক জোম্যাটো কর্মী। তাঁর মহৎ কাজের প্রশংসায় মুখর গোটা নেটদুনিয়া।

গত ১৫ নভেম্বর মুম্বইয়ের ভিমানগরে ক্রেতার বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন জোম্যাটোর ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ রবি ধাওকরে। যাওয়ার পথে তিনি দেখেন অসহায় মুখে এক ব্যক্তি তাঁর কন্যাসন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মুখ দেখেই রবি বুঝতে পারেন নিশ্চয়ই কিছু একটা হয়েছে। তড়িঘড়ি ওই ব্যক্তির কাছে এগিয়ে যান তিনি। এরপরই ওই ব্যক্তি গোটা ঘটনার বর্ণনা দিতে থাকেন। তাতেই রবি বুঝতে পারেন দেবেন্দ্র নামে বছর আটত্রিশের ওই ব্যক্তি নাসিকে বেড়াতে এসেছেন। কোলে থাকা কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়াতে গিয়েছিলেন। কিন্তু খাবার গলায় আটকে যায়। সাত মাসের দুধের শিশুর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। অপরিচিত এলাকায় সন্তানকে কোলে করে খোঁজখবর নিয়ে দেবেন্দ্র জানতে পারেন কাছেই একটি হাসপাতালে রয়েছে। কিন্তু ওই হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার মতো কাউকে না পেয়ে অসহায় অবস্থায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন।

Advertisement

একথা শোনার পর আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করেননি জোম্যাটো কর্মী রবি। তড়িঘড়ি দেবেন্দ্রকে বাইকে চাপিয়ে নেন। ইতিমধ্যে রবির কাছে গ্রাহকের ফোন আসে। কেন খাবার পৌঁছতে এত দেরি হচ্ছে, সেই কৈফিয়ৎ চান গ্রাহক। তখন অবশ্য পেশার কথা ভুলে গিয়েছেন রবি। সাফ জানিয়ে দেন ঠিক কী কারণে খাবার পৌঁছতে এত সময় লেগে যাচ্ছে তাঁর। তবে শিশুর অসুস্থতার কথা শুনে মুহূর্তের মধ্যে অবস্থান বদল করেন ওই গ্রাহক। চিকিৎসার বন্দোবস্ত করার পর খাবার পৌঁছলে কোনও সমস্যা নেই বলে জানিয়ে দেন তিনি। এদিকে, দীর্ঘদিন খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজ করার ফলে বিভিন্ন রাস্তার অলিগলি চেনেন রবি। তাই খুব কম সময়েই একরত্তি এবং তার বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে যান রবি। চিকিৎসার পর আপাতত সুস্থ ওই দুধের শিশু।

[আরও পড়ুন: কলকাতা বিমানবন্দরে হাসিনাকে অভ্যর্থনায় অনুপস্থিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি, বিতর্ক কূটনৈতিক মহলে]

ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ রবির মানবতা অবাক করেছে জোম্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা দিপিন্দর গোয়েলকে। রবির কাজের কথা উল্লেখ করে টুইট করেন তিনি। তারপর থেকেই নেটদুনিয়ায় প্রশংসা কুড়োচ্ছেন রবি। নেটিজেনরা বলছেন, পেশাগত সাফল্যের থেকে মানবতাই যে আসল, তাই যেন প্রমাণ করে দিয়েছেন ওই জোম্যাটো এক্সিকিউটিভ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.