BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

দিল্লি বিধানসভায় আপ বিধায়কদের হাতেই নিগৃহীত কপিল মিশ্র, ভাইরাল ভিডিও

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 31, 2017 1:02 pm|    Updated: June 1, 2019 7:05 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লির মন্ত্রিসভা থেকে অপসারিত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এবার দিল্লির বিধানসভায় আম আদমি পার্টি বা আপ বিধায়কদের হাতে হেনস্থা হতে হল কপিল মিশ্রকে। অধিবেশন চলাকালীন দু’পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তিও হয়। ঘটনার জেরে দিল্লি সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী কপিল মিশ্রকে মার্শাল দিয়ে বিধানসভার বাইরে বের করে দিলেন স্পিকার রামনিবাস গোয়েল।

 


দিল্লির আম আদমি পার্টি বা আপ সরকারের জলসম্পদ ও পর্যটন মন্ত্রী ছিলেন কপিল মিশ্র। দিল্লির জলবোর্ডের ট্যাঙ্কার কেলেঙ্কারি নিয়ে কিছু বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন তিনি। ঘটনাচক্রে এরপরই খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে কপিল মিশ্রকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এরপরই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে হাওয়ালা কেলেঙ্কারি, ঘুষ নেওয়া, নির্বাচন কমিশন ও আয়কর দপ্তরকে ভুল তথ্য দেওয়ার মতো একের পর এক দুর্নীতিতে অভিযোগ করতে শুরু করেন কপিল।

[আধুনিক মহাভারতের রাজপুত্র জুয়ায় খোয়ালেন পাঁচ বউকে]

গত ২৭  মে দিল্লি সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ করেন কপিল মিশ্র।  তাঁর অভিযোগ, এই কেলেঙ্কারিতে প্রথমে হাসপাতালগুলি ওষুধ কেনার ক্ষমতাকে খর্ব করে সেন্ট্রাল প্রোকিওরমেন্ট এজেন্সি তৈরি করা হয় এবং প্রয়োজন ছাড়াই আগেভাগে প্রচুর ওষুধ কেনা হয়। কিন্তু যখন সত্যিই ওষুধের প্রয়োজন দেখা দেয়, তখনই দিল্লি সরকার বা হাসপাতালগুলির কাছে ওষুধই ছিল না। কপিল মিশ্রের আরও অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্স কেনার বরাদ্দেও ব্যাপক কারচুপি করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার। ১১ লক্ষ টাকা দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স কিনে বিল করা হয়েছে ২৩ লক্ষ টাকা। এমনকী, এই দুর্নীতির দায় দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন ও স্বাস্থ্যসচিবের ঘাড় থেকে সরিয়ে মুখ্যসচিবের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন কপিল মিশ্র। মঙ্গলবারই এই কেলেঙ্কারির বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়ে দিল্লির উপ-রাজ্যপালকে চিঠি লেখেন কপিল মিশ্র। যদিও কপিলের যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে দিল্লি সরকার।

[গোহত্যায় যাবজ্জীবন, গরুকে জাতীয় পশুর মর্যাদার সুপারিশ আদালতের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement