Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Abdul Rashid Sheikh

শপথ নিয়ে নিজের কেন্দ্রে যেতে পারবেন রশিদ? নজর কোর্টে

ওমর আবদুল্লাকে হারিয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন রশিদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৪, ১২:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৪, ১২:০৮

options
link
শপথ নিয়ে নিজের কেন্দ্রে যেতে পারবেন রশিদ? নজর কোর্টে zoom
ফাইল ছবি

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: কবে তিনি নিতে পারবেন সাংসদ হিসাবে শপথ। উত্তর পেতে ১৮ জুন পাতিয়ালা হাউস কোর্টের দিকে তাকিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা কেন্দ্রে ‘জায়েন্ট কিলার’ শেখ আবদুল রশিদ(Abdul Rashid Sheikh), ওরফে ইঞ্জিনিয়ার রশিদ। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে দুলক্ষেরও বেশি ভোটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাকে হারিয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন পূর্ত দপ্তরের প্রাক্তন ইঞ্জিনিয়ার। অথচ রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ২০১৯ থেকে জেলবন্দি তিনি। সন্ত্রাসবাদে আর্থিক মদত দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে।

জম্মু-কাশ্মীর আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা রশিদ এর আগে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে লাঙ্গেট কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৯ – দু’বারই লোকসভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে অংশ নিলেও জিততে পারেননি রশিদ। এবার হল সেই অসাধ্য সাধন। তাও আবার তিনি নিজে ছিলেন না। তিহারে বন্দি বাবার হয়ে প্রচারের কাজ সামলেছিলেন দুই ছেলে আবরার এবং আসরার রশিদ। অর্থের অভাবে আদৌ মনোনয়ন গৃহীত হবে কিনা, সেই ভেবে প্রথমে প্রচারে নামেননি। মনোনয়ন মঞ্জুর হয়ে যেতে শুরু হয় প্রচার। মাত্র দশদিনের প্রচারেই বাবার হয়ে অসাধ্য সাধন করেন আবরার ও আসরার আহমেদ।

Advertisement

৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার সময় দেখা যায় ইন্দ্রপতন ঘটিয়ে ওমরকে ২ লক্ষ ৪ হাজার ১৪২ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন আবদুল রশিদ শেখ। এর পরই শুরু হয়ে যায় আবরার-আসরারের বাবাকে শপথ নেওয়ানোর প্রস্তুতি। পরদিনই দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেন তাঁরা। আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংয়ের উদাহরণও টানা হয়। ৭ জুন মামলার শুনানিতে সরকারপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলে, এখনও রশিদের শপথগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। এরপর দশ দিনের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয় মামলা। ১৭ জুন বকরি ইদের ছুটি। তাই পরদিন হবে শুনানি। আগের দিনই আদালত ইঙ্গিত দিয়েছিল, পরবর্তী শুনানির আগে শপথের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গেলে তাঁর অন্তর্বর্তী জামিনের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে আদালত।

ইতিমধ্যেই অধিবেশনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নতুন সংসদদের শপথের সময়ও। কাজেই বাবার অন্তর্বর্তী জামিন পেতে যে খুব সমস্যা হবে না, এমনটাই মনে করছেন ইঞ্জিনিয়ার রশিদের বড় ছেলে আবরার। বলছিলেন, “আদালত আগেরদিন যা বলেছিলেন, তা ধরে নিলে বাবার শপথ নেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তী জামিন পেয়ে যাওয়া উচিত। দেখার শুধু আদালত কী কী শর্ত আরোপ করে। বাবা নিজের ভোটারদের, এলাকাবাসীদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন কিনা।”

[আরও পড়ুন: খেলতে খেলতে ৫০ ফুট গভীর বোরওয়েলে, ১৭ ঘণ্টা পর মৃত্যু গুজরাটের শিশুকন্যার

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.