Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

স্পিকারকে সময় দিতে চায় তৃণমূল, কংগ্রেস শর্ত মানলেই অনাস্থা! স্পষ্ট জানালেন অভিষেক

গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর শারীরিক হামলার আ্রশঙ্কায় অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার ওম বিড়লা। বিষয়টিকে মোটেই ভালো ভাবে নেয়নি কংগ্রেস-সহ দেশের বিরোধী দলগুলি। এরপরেই অনাস্থা আনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৫:১২

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৫:১২

options
link
স্পিকারকে সময় দিতে চায় তৃণমূল, কংগ্রেস শর্ত মানলেই অনাস্থা! স্পষ্ট জানালেন অভিষেক zoom
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি।

পক্ষপাতমূলক আচরণের জবাব দিতে লোকসভায় স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল। এই বিষয়ে তৃণমূলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি জানান, স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই করতে তৃণমূলের কোনও আপত্তি নেই। তবে এই প্রস্তাব আনার আগে চারটি দাবি উল্লেখ করে স্পিকারকে চিঠি দিক বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। একইসঙ্গে দলগুলির যৌথ বিবৃতিও দাবি করেছেন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা। আর এই ‘শর্ত’ মানলেই যে প্রস্তাবে তৃণমূল সই করবে তাও এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। 

গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) উপর শারীরিক হামলার আশঙ্কায় অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার ওম বিড়লা। বিষয়টিকে মোটেই ভালো ভাবে নেয়নি কংগ্রেস-সহ দেশের বিরোধী দলগুলি। শাসকের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে এনে ওমের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাজেট অধিবেশনেই তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী দলগুলি। যেখানে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের পাশাপাশি মূলত চারটি কারণকে সামনে রেখে এই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বিরোধী দলনেতাকে সংসদে বলার সুযোগ না দেওয়া, বিরোধী আট সাংসদকে সাসপেন্ড করার মতো বিষয়ও রয়েছে।

Advertisement

এই বিষয়ে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) বলেন, ”স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই করতে আপত্তি নেই। তার আগে লোকসভার স্পিকারকে ইন্ডিয়া জোটে থাকা দলগুলি একটা চিঠি দিক। যেখানে যে চারটি বিষয়কে মাথায় রেখে এই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি লিখিত আকারে দেওয়া হোক। এই বিষয়ে সদুত্তর দিতে স্পিকারকে ২-৩ দিন সময় দেওয়া হোক। নাহলে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হোক।” একইসঙ্গে কংগ্রেস যদি তাড়াহুড়ো করে, আজ মঙ্গলবার স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে চায়, তাতে তৃণমূল যে সই করবে না তাও এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন সাংসদ। 

চলতি বাজেট অধিবেশনে একাধিক ইস্যুতে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের সেই সখ্য চোখে পড়ছে না! বিশেষ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার ক্ষেত্রে রাহুল গান্ধীর চুপ থাকা মোটেই ভালো চোখে নেয়নি তৃণমূল! পালটা হিসাবে এবার সচেতনভাবেই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা হচ্ছে? অন্তত যেভাবে এদিন লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা হিসাবে অভিষেক ‘শর্ত’ বেঁধে দিয়েছেন সেই প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়ে সাংসদের ব্যাখ্যা, কংগ্রেস যেভাবে বলবে সেভাবে তৃণমূল চলবে না। তাদেরও স্বাধীন বক্তব্য রয়েছে। এমনকী এক্ষেত্রে বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের যে পার্থক্য আছে তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘এটাই তো নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আমাদের পার্থক্য। ভুল করলে তাঁকে সুযোগ তো দিতে হবে।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.