Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Jagdeep Dhankhar

খাড়গেকে বলার অনুমতি, বিরোধীদের প্রস্তাব গ্রহণ, ইস্তফার আগে ‘কেন্দ্রবিরোধী’ উপরাষ্ট্রপতি ধনকড়!

ঘনিষ্ঠমহলের মতে, বেশ কিছুদিন ধরেই মনমরা ছিলেন সদ্য প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৫, ১২:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৫, ১২:৪০

options
link
খাড়গেকে বলার অনুমতি, বিরোধীদের প্রস্তাব গ্রহণ, ইস্তফার আগে ‘কেন্দ্রবিরোধী’ উপরাষ্ট্রপতি ধনকড়! zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে মেয়াদ ফুরনোর আগেই সরে দাঁড়িয়েছেন জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। এর আগে যতজন উপরাষ্ট্রপতি সময়ের আগে পদত্যাগ করেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়েছেন। কিন্তু ধনকড় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে। বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপালের এহেন সিদ্ধান্তে বিস্মিত গোটা রাজনৈতিক মহল। ধনকড়ের ইস্তফার প্রশ্ন উঠছে, আচমকা ‘কেন্দ্রবিরোধী’ হয়ে উঠেছিলেন বলেই কি সরতে হল তাঁকে?

সোমবার থেকে সংসদে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। দিনভর উপরাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন ধনকড়। কিন্তু অধিবেশনের প্রথম দিনেই ধনকড়ের কাজে ‘কেন্দ্রবিরোধিতা’র আঁচ পেয়েছিল রাজনৈতিক মহল। প্রথমেই আসে বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব গ্রহণ। অধিবেশনের আগের দিন সর্বদল বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে প্রথমে পদক্ষেপ করবে লোকসভা। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের ‘বিরোধিতা’ করেন ধনকড়। বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই ৬৩ জন বিরোধী সাংসদের সই করা প্রস্তাব রাজ্যসভায় গ্রহণ করেন তিনি।

Advertisement

এই ঘটনার খানিক পরে ধনকড়ের আরেক সিদ্ধান্তে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যায় রাজনৈতিক মহল। পহেলগাঁও হামলায় নিরাপত্তার গাফিলতি এবং ভারত-পাক যুদ্ধবিরতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকা-কেন্দ্রের দুই ‘অস্বস্তি’র ইস্যু নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা বলতে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেকে অনুমতি দেন উপরাষ্ট্রপতি। এই ঘটনায় বেশ অসন্তুষ্ট হয় রাজ্যসভার ট্রেজারি বেঞ্চ। উল্লেখ্য, এই একই ইস্যুতে লোকসভায় বক্তব্য রাখতে দেওয়া হয়নি বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে, এমনটাই অভিযোগ উঠেছে।

অধিবেশনের প্রথম দিনে এমন ঘটনাবলির পরে আচমকাই বিকেল চারটে নাগাদ সরকারি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, বুধবার জয়পুর সফরে যাবেন উপরাষ্ট্রপতি। অধিবেশন চলাকালীনই এমন সফরের কথায় অনেকর মনেই প্রশ্ন জেগেছিল। শেষ পর্যন্ত সোমবার রাতে ইস্তফা দেন ধনকড়। তাঁর ঘনিষ্ঠমহলের মতে, বেশ কিছুদিন ধরেই মনমরা ছিলেন সদ্য প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি। তবে রাজনৈতিক কেরিয়ার এত তাড়াতাড়ি শেষ করবেন না ধনকড়, এমনটাই মত তাঁর ঘনিষ্ঠদের। উল্লেখ্য, ধনকড়ের আচমকা ইস্তফার নেপথ্যে যে সরকারের চাপ রয়েছে, এমন ইঙ্গিত করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.