BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

৭ মাসের শিশু যখন রোগী, অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন করোনা আক্রান্তদের সেবায় নামা অভিনেত্রী

Published by: Bishakha Pal |    Posted: April 18, 2020 4:24 pm|    Updated: April 18, 2020 4:24 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশজুড়ে ছড়িয়ে পডে়ছে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা। আক্রান্তদের সুস্থ করতে দিনরাত এক করে কাজ করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে অনেকে বর্তমান পেশা ছেড়ে ফিরে এসেছেন স্বাস্থ্য পরিষেবায়। তেমনই একজন হলেন অভিনেত্রী শিখা মালহোত্রা। গ্ল্যামারাস জগৎ ছেড়ে মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে তিনি নার্সের কাজে ফিরে গিয়েছেন। সেবা করছেন করোনা আক্রান্তদের। সেই অভিনেত্রী তথা নার্স শেয়ার করলেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা। জানালেন, তাঁর প্রথম রোগী ছিল এক বছর চারেকের খুদে।

বর্তমানে তিনি হিন্দুহৃদয়সম্রাট বালাসাহেব ঠাকরে ট্রমা কেয়ার মিউনিসিপ্যাল হাসপাতালে নার্স হিসাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। ‘হিউম্যানস অফ বম্বে’র ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি লিখেছেন, “লকডাউন ঘোষণার পরদিনই আমি স্বেচ্ছাসেবার জন্য একটি হাসপাতাল খুঁজতে বেরিয়ে পড়লাম। আমার নার্সিং ডিগ্রি রয়েছে। অবশেষে আমি বালাসাহেব হাসপাতালে একটি আইসোলেশন ওয়ার্ডে কাজ পাই। পরদিন নার্সিং অফিসার হিসাবে কাজ শুরু করি আমি। রোগীরা ঠিকমতো ওষুধ খাচ্ছে কিনা এবং সময়মতো খাবার খাচ্ছে কিনা, সারাদিন ওয়ার্ডে থেকে সেসব দেখভাল শুরু করি। আমার প্রথম রোগী ছিল সাত মাসে একটি শিশু। যখন আমি তাকে দেখলাম, তখন সে খেলছিল। ওর সঙ্গে আমি ইমোশনালি অ্যাটাচড হয়ে পড়লাম। ওই আমার কাজ করার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।”

[ আরও পড়ুন: দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ, দেশদ্রোহিতার মামলায় চার্জশিট শার্জিল ইমামের বিরুদ্ধে ]

তবে শিখা জানিয়েছেন হাসপাতালের সমস্ত রোগীর সঙ্গেই তিনি নিজের মনে করে সেবা করেন। কিন্তু করোনা আক্রান্তদের শুশ্রুষা করতে গিয়ে তাঁর সাহস বারবার ধাক্কা খেয়েছে। তিনি বলেছেন, “আমি কখনও ভাবিনি যে জীবন এবং মৃত্যু এত কাছ থেকে কখনও দেখব। এর সাক্ষী থাকব।” তাঁর মতে, সবচেয়ে কষ্ট তখন হত যখন রোগীদের পরিবার তাঁদের দেখতে পেত না। কখনও তো কারওর মৃত্যু হলে শেষ বিদায় পর্যন্ত জানাতে পারত না। আক্রান্তের পরিবার তো বটেই, হাসপাতালের সকলের জন্যও এটি একটি কঠিন সময়। এখন এমন একটি সময় যখন প্রতিটি মুহূর্ত কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের। যা আছে তার জন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞ থাার সময় এটা। জীবন কারওরই নিশ্চিত নয়। “এখন শুধু লম্বা শ্বাস নিয়ে এগিয়ে চলুন। আশা রাখুন। আপনার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধদের যে আপনি ভালবাসেন, সেকথা মনে করুন। কঠিন সময় পেরিয়ে যাবে” বলেছেন শিখা।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 

“The day after lockdown was announced, I set out to find a hospital to volunteer in. I have a nursing degree, but most know me as Shikha Malhotra, actress. Still, when COVID-19 broke out, I’d never felt stronger about volunteering as a nurse. I found an isolation ward in Balasaheb hospital. The head there asked me why I’d want to do this being an actor & spoke about salaries. I stopped her & said I didn’t want a salary. I just wanted to help. She was touched & hired me immediately. I began working as a nursing officer the next day. That meant ensuring patients took their medicines & ate on time & being in the ward all day. My first patient was a 7 month-old baby. When I saw him, playing in his crib, oblivious of what was going on, my heart melted. Since then, he’s been my biggest motivation to go to work. Luckily, he’s asymptomatic. His mom & nani tested positive too & are in the hospital. His mom’s unwell & isn’t able to care for him. So I’m constantly making sure he’s taken care of. Every morning, I first go to his room & play with him–he’s always smiling. The whole family is slowly getting better–his nani recently tested negative! But on the flip side, since I joined, I’ve gotten emotionally attached to the patients. I talk to them & they tell me that’s the highlight of their day. Recently, an older patient kept saying, ‘They’re waiting for me at home. I want to go home’. And I’d say, ‘Uncle if you don’t eat how will you go?’ We’d talk everyday. He was in pain, but he smiled through it. He reminded me of my dad. But one day, when I got to work, his bed was empty. One of the patients told me he’d passed away just moments ago. I looked out the window & saw the ambulance–if I could’ve just said goodbye to him. I called my dad & cried my heart out. I never imagined I’d witness life & death so closely. The most gut-wrenching part is that patients’ families don’t get to see them & some don’t even get to say goodbye. This is a hard time for all of us & the only thing we can do is not take our lives for granted. Take a moment everyday to be grateful for everything you have. Breathe, have hope & remind your family & friends that you love them. This too shall pass.”

A post shared by Humans of Bombay (@officialhumansofbombay) on

[ আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় হাসপাতালের দুর্দশার তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট, বরখাস্ত চিকিৎসক ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement