BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ব্যাংক-সিম কার্ডে বাধ্যতামূলক নয় আধার, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 26, 2018 11:56 am|    Updated: September 26, 2018 11:56 am

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আধার নিয়ে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের। আধার আইন সাংবিধানিক ভাবে বৈধ ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ। গত বছর লোকসভায় মানি বিল হিসেবে আধার আইন পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার। সেই বিলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধীরা। কিন্তু সেই অভিযোগ খারিজ করে সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিল আধার আইন বৈধ। অর্থাৎ, আধার কার্ড বাতিল করা যাবে না। সর্বোচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ আধার প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষায় গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সার্বিকভাবে আইনটি বৈধ বলে ঘোষিত হলেও দুটি ধারায় আপত্তি ছিল প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চের। সেই দুটি ধারা বাতিল করা হয়েছে।

[হিজবুলের হুমকির প্রভাব! কাশ্মীরে চার দিনে পদত্যাগ ৪০ জন পুলিশকর্মীর]

তবে, এই রায়ে বিরোধীদের অখুশি হওয়ারও খুব একটা কারণ নেই। কারণ আধার তথ্যের গোপনীয়তাই বিশেষ নজর রাখার কথা ঘোষণা করেছে সর্বোচ্চ আদালত। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, কোনও বেসরকারি সংস্থাকে আধার কার্ডের তথ্য দেওয়া যাবে না। এর ফলে মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংকের সঙ্গে আধার সংযুক্তিকরণ আর বাধ্যতামূলক রইল না। এমনকি ইউজিসি, নিটের মতো সরকারি সংস্থাগুলিও আধার কার্ডের তথ্য ব্যবহার করতে পারবে না। কেন্দ্রের কোনও জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের জন্যও আধার কার্ড সংযোগের প্রয়োজন হবে না বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে। 

[রাফালে ইস্যুতে এবার রবার্ট বঢরার নাম জড়াল বিজেপি]

যদিও, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে আধার গোপনীয়তার অধিকার ভঙ্গ করে না। তাছাড়া রাষ্ট্র চাইলে যে কোনও মৌলিক অধিকারেই কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা লাগু করতে পারে। সেই হিসেবে আধারকে বেআইনি ঘোষণা করা সম্ভব নয়। গত জানুয়ারি থেকে টানা শুনানি চলছিল, অবশেষে বুধবার চূড়ান্ত শুনানি ছিল। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, প্যান কার্ড, মোবাইল সিম কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স-সহ সমস্ত জনকল্যাণমূলক সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে আধার লিংক করানোর নির্দেশ দিয়েছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা হয়। দাবি করা হয়, আধার কার্ড নিরাপদ নয়। আধারে সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে। তাই আধার নম্বরকে সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ মানে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার লঙ্ঘন করা। মামলাকারীরা দাবি করেন, অনলাইনে তথ্য যেভাবে ফাঁস হচ্ছে তাতে আধার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত। সেই মামলা নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে শুনানি চলছিল সর্বোচ্চ আদালতে। বুধবার তারই রায়দান করল ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement