BREAKING NEWS

১০  আশ্বিন  ১৪২৯  শনিবার ১ অক্টোবর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

‘সংবিধানের পর দেশের রক্ষক সেনা ও আরএসএস’, মন্তব্য প্রাক্তন বিচারপতির

Published by: Tanujit Das |    Posted: January 9, 2019 12:42 pm|    Updated: January 9, 2019 12:42 pm

 After Army, RSS keeps Indians safe: K T Thomas

ছবি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘সংবিধানের পর দেশের রক্ষক সেনা ও আরএসএস’, সংঘের কর্মসূচিতে হাজির থেকে এমনই মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কে টি থমাস৷ এমনকী জরুরী অবস্থা অবসানের জন্যও সংঘকেই কৃতিত্ব দেন তিনি৷ দাবি করেন, ওই সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন সংঘের কর্মীরা৷

[সাহসী পদক্ষেপ রাহুলের, মহিলা কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ পদ পেলেন রূপান্তরকামী নেত্রী ]

কেরলের কোট্টায়ামে সংঘের একটি শাখার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন দেশের শীর্ষ আদালতের এই প্রাক্তন বিচারপতি৷ সেখানে সংঘের কর্মীদের নিয়মানুবর্তিতার ঢালাও প্রশংসা করতে শোনা যায় তাঁকে৷ কে টি থমাস বলেন, ‘‘বিষ ক্ষতিকর হলেও সাপের আত্মরক্ষার অস্ত্র৷ আরএসএস-ও কর্মীদের লড়াইয়ের বিভিন্ন কৌশল শেখায়, শারীরিক কসরত শেখায়৷ কারণ, সেটাও আত্মরক্ষায় সাহায্য করবে এবং দেশ ও সমাজকে নিরাপত্তা দিতে কাজে লাগবে৷’’  উল্লেখ্য, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে জেরবার কেন্দ্রে মোদি সরকার৷ কেন্দ্রের সমালোচনায় সরব নাসিরুদ্দিন শাহ, অমর্ত্য সেনার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা৷ সংখ্যালঘু নিরাপত্তার প্রশ্নে কেন্দ্রকে খোঁচা দিয়েছেন খোদ পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্র ও আরএসএসের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন দেশের শীর্ষ আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি৷ তিনি জানান, ভারতে সকলেই নিরাপদ৷ কারণ, এখানে সংবিধান রয়েছে, গণতন্ত্র রয়েছে, সেনা রয়েছে এবং সর্বোপরি আরএসএসের মতো একটি সংগঠন রয়েছে৷

[সেনার থেকে ৩২০০টি গরু কিনছে মহারাষ্ট্র সরকার]

বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা ইস্যুতে কেন্দ্রের পাশেই দাঁড়িয়েছেন কে টি থমাস৷ তিনি বলেন, ‘‘সংখ্যালঘুরা ধর্মনিরপেক্ষতাকে নিরাপত্তার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে৷ কিন্তু সংবিধানের সংজ্ঞা এর চেয়ে অনের গুণ বড়৷’’ থমাস আরও বলেন, ‘ভারতে হিন্দু শব্দ বলতে একটি ধর্মের সংজ্ঞা বোঝায়| কিন্তু বাস্তবে এটি একটি সংস্কৃতি৷’

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে