BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আবেদন জানানোর এক সপ্তাহের মধ্যেই এবার মিলবে পাসপোর্ট

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 21, 2016 3:29 pm|    Updated: August 21, 2016 3:29 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরও সহজ, সুবিধাজনক এবং অবশ্যই আরও দ্রুত হচ্ছে পাসপোর্ট প্রদান পরিষেবা৷ সৌজন্যে বিদেশ মন্ত্রক৷
এবার থেকে আবেদন জানানোর মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই পেতে পারেন পাসপোর্ট৷ যদি আবেদনপত্রটির সঙ্গে ঠিকঠাক ভাবে পেশ করেন কিছু জরুরি নথি৷ সেগুলি হল– আধার কার্ডের কপি, সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র (ইপিআইসি) এবং প্যান কার্ড৷ এছাড়াও জমা দিতে হবে একটি এফিডেভিট, (আবেদনের এক নম্বর অ্যানেক্সচারের ফর্ম্যাট অনুযায়ী) যাতে নাগরিকত্বের ঘোষণা, পরিবার সংক্রান্ত বিশদ তথ্য তো থাকবেই৷ পাশাপাশি ওই এফিডেভিটেই আরও নিশ্চিত করতে হবে যে আবেদনকারীর কোনও ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই৷
ব্যস! এই সব ঠিকঠাক থাকলেই মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে ইস্যু হয়ে যাবে আপনার পাসপোর্ট৷ এর আগে পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারীর পেশ করা নথিপত্রের পুলিশি যাচাইয়ের জন্য যে দীর্ঘ সময় লাগত, এবার থেকে তা আর হবে না৷ কিন্তু তাই বলে আবার ভাববেন না যে এবার থেকে নথিপত্রের পুলিশি যাচাই আর হবে না! সত্যানুন্ধান অবশ্যই হবে৷ তবে পরে৷ বিদেশ মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে৷
এর আগে তৎকাল পরিষেবার আওতায় পাসপোর্ট পেতে গেলে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হত৷ কিন্তু এবার থেকে সাধারণ শ্রেণিতেই তা প্রযোজ্য হবে৷ ফলে পাসপোর্ট ইস্যু হতে আগের মতো আর এক মাস অপেক্ষা করতে হবে না৷ এই পরিষেবা পেতে ব্যয় করতে হবে না অতিরিক্ত অর্থও৷ তবে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে পাসপোর্ট ইস্যু হয়ে যাওয়ার পর পুলিশি যাচাইয়ে যদি দেখা যায় তথ্যগত কোনও ভুলভ্রান্তি হয়েছে, সেক্ষেত্রে পাসপোর্টটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে৷ এই প্রক্রিয়ায় আধার নম্বরটি অনলাইনে যাচাই করে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে৷ যার পর পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে উপস্থিত অফিসারের অনুমোদন নিতে হবে৷ একইভাবে, ইপিআইসি এবং প্যান কার্ডও যাচাই করে নেওয়া হতে পারে৷
বিদেশ মন্ত্রকের পাসপোর্ট বিভাগের অধিকর্তা, অনিল কুমার সোবতি জানিয়েছেন, “নয়া এই পরিষেবায় কিন্তু নিরাপত্তায় কোনও খামতি থাকছে না৷ শুধুমাত্র পাসপোর্ট ইস্যুর প্রক্রিয়াকে সহজতর এবং দ্রুততর করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে৷ আমাদের সিস্টেমে এমন ব্যবস্থা রয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা আবেদনকারীর ভুয়া পরিচয় ধরতে পারব৷ জালিয়াতিও রুখতে পারব৷ এতে কারও কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়৷”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement