BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রাজ্যসভার ভোটেও পুনর্নির্বাচন চায় কংগ্রেস

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 12, 2016 2:52 pm|    Updated: June 12, 2016 6:14 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিধায়ক কেনাবেচা, ক্রস ভোটিং নিয়ে চাপান-উতোরের মধ্যেই শনিবার পনেরো রাজ্যের ৫৭টি রাজ্যসভার আসনে নির্বাচন সম্পন্ন হল৷ এর মধ্যে তিরিশটি আসনে প্রার্থীরা বিনা লড়াইয়ে নির্বাচিত হলেও বাকি ২৭টি আসনের ভোটগ্রহণ নিয়ে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে৷ এর মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ১১টি আসন৷ কংগ্রেসের পক্ষে গিয়েছে ছ’টি, সপা-র পক্ষে সাতটি, বসপা-র পক্ষে দু’টি এবং নির্দল পেয়েছে একটি আসন৷ আর, তুমুল কৌতূহলের মধ্যে দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা কপিল সিবালকে উত্তরপ্রদেশ থেকে জিতিয়ে আনতে পেরেছে কংগ্রেস৷ তবে হরিয়ানায় কংগ্রেসের ১৪ জন বিধায়কের ভোট ‘ইনভ্যালিড’ বলে ঘোষিত হওয়ায় উত্তেজনা ছড়ায়৷ সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের কাছে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাতে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব৷

ক্রস ভোটিং সত্ত্বেও উত্তরপ্রদেশে নিজেদের প্রার্থীদের জেতাতে সমর্থ হয়েছে প্রত্যেকটি বড় রাজনৈতিক দলই৷ হিসাব বলছে, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে বিএসপি সমর্থন করেছে কংগ্রেসকে৷ যদিও উত্তরপ্রদেশে তারা অতিরিক্ত ভোট কংগ্রেস বা অন্য কোনও দলকে দেয়নি৷ তার ফলেই বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী প্রীতি মহাপাত্রকে হারিয়ে দেন সিবাল৷ ২৫টি প্রথম পছন্দের ভোট পেয়ে সিবাল নির্বাচিত হলেও কংগ্রেস নেতৃত্ব যথেষ্ট বিড়ম্বনায়৷ কারণ, রাজ্যে তাদের বিধায়ক সংখ্যা ২৯৷ পাশাপাশি, রাষ্ট্রীয় লোকদল তাদের আটটি ভোট কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টিকে দেবে বলে ঘোষণা করেছিল৷ সেই হিসাবে সিবালের অন্তত ৩৩টি প্রথম পছন্দের ভোট পাওয়া উচিত৷ অস্বস্তিতে বিজেপিও৷ তাদের বিধায়ক বিজয়বাহাদুর যাদব সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন৷ বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণা পাসোয়ানের অভিযোগ, তাঁকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি৷ তবে সমাজবাদী পার্টির সাত, বিএসপির দুই, বিজেপি ও কংগ্রেসের একজন করে জয়ী হয়েছেন৷ যাঁর মধ্যে সপা অমর সিং ও বেণিপ্রসাদ বর্মা উল্লেখযোগ্য৷

রাজ্যসভায় সংখ্যালঘু বিজেপির লক্ষ্য ছিল, কংগ্রেস যেন কোনও অতিরিক্ত আসন না পায়৷ পাশাপাশি, নিজেদের সদস্য সংখ্যা বাড়াতে বেশ কয়েকটি রাজ্যে তারা নির্দল প্রার্থীকেও সমর্থন দিয়েছিল৷ মোটের উপর তারা লক্ষ্যে সফল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷ এবারের নির্বাচনে ছয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লড়তে নেমেছিলেন৷ বিজেপির আসন সংখ্যা বেড়েছে৷ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও রাজ্যসভায় তারা কংগ্রেসের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে আনতে পেরেছে৷ কর্নাটকে মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ও কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ, অস্কার ফার্নান্ডেজ ও কে সি রামমূর্তি জয়ী হয়েছেন৷ হেরে গিয়েছেন জনতা দলের (সেকুলার) বি এম ফারুখ৷ রাজস্থানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নায়ডু ও ও পি মাথুর-সহ বিজেপির চার প্রার্থীই জিতেছেন৷

তবে সবচেয়ে বড় চমক দেখা গিয়েছে হরিয়ানায়৷ সেখানে অপ্রত্যাশিতভাবে জয়ী হয়েছেন বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী মিডিয়া ব্যারন সুভাষ চন্দ্র৷ দ্বিতীয় আসনে জিতেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চৌধুরি বীরেন্দ্র সিং৷ তবে কংগ্রেসের ১৪ বিধায়কের ভোট অবৈধ বলে ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিতে পারে৷ মধ্যপ্রদেশে দুটো আসনে জিতেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র এম জে আকবর ও অনিল দাভে৷ বাকি আসনে জিতেছেন কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী বিবেত তাংখা৷ ঝাড়খণ্ডের দু’টি আসনে জিতেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আববাস নকভি ও বিজেপিরই মহেশ পোদ্দার৷ তবে দুই বিধায়কের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং শনিবার রাতেই ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়ক চামড়া লিন্ডা গ্রেফতার হওয়ায় বিজেপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস৷ তবে উত্তরাখণ্ডের একমাত্র আসনে এবার জিতেছেন কংগ্রেসের প্রদীপ টামটা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement