Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Ajit Pawar Plane Crash

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অজিতের বিমানের ব্ল্যাক বক্স! সুনেত্রা সিবিআই তদন্ত চাইতেই বলল কেন্দ্র

মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার অজিতের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। সুনেত্রা-সহ এনসিপির সিনিয়র নেতারা মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিশের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের বক্তব্য পেশ করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৫:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৫:৪৭

options
link
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অজিতের বিমানের ব্ল্যাক বক্স! সুনেত্রা সিবিআই তদন্ত চাইতেই বলল কেন্দ্র zoom
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত অজিতের বিমানের ব্ল্যাক বক্স।

বিমান দুর্ঘটনায় মৃত অজিত পওয়ারের মৃত্যু (Ajit Pawar Plane Crash) রহস্যে নয়া মোড়। স্বামীর মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে মঙ্গলবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন স্ত্রী সুনেত্রা পওয়ার। এরপরই অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে জানানো হল, আগুনে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিমানের ব্ল্যাক বক্স। সেখান থেকে তথ্য উদ্ধার করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।

২৮ জানুয়ারি মুম্বই থেকে বারামতী যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা কবলে পড়েছিল অজিত পওয়ারের বিমান। এর পরদিনই সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় বিমানের ব্ল্যাক বক্স। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করে এএআইবি। সম্প্রতি এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে দুটি ফ্লাইট রেকর্ডার ছিল একটি ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও অন্যটি ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। দুর্ঘটনার পর ভয়ংকর আগুন ও অতিরিক্ত তাপে দুটি যন্ত্রই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই যন্ত্রটি যেহেতু মার্কিন সংস্থার তৈরি তাই সেখানকার বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। তবে এল ৩ কমিউনিকেশনস-এর তৈরি ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার থেকে বেশ কিছু তথ্য ডাউনলোড করা সম্ভব হয়েছে  এএআইবি ল্যাবে।

Advertisement

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে দুটি ফ্লাইট রেকর্ডার ছিল একটি ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও অন্যটি ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। দুর্ঘটনার পর ভয়ংকর আগুন ও অতিরিক্ত তাপে দুটি যন্ত্রই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হয়, মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার অজিতের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। সুনেত্রা-সহ জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র নেতারা মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিশের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের বক্তব্য পেশ করেন। এই দুর্ঘটনা নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন তুলেছিলেন অজিত পাওয়ারের ভাগ্নে এবং এনসিপি (এসপি) বিধায়ক রোহিত পাওয়ার। তদন্তের ধীর গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। এবার এই মামলায় সিবিআই তদন্তের দাবি উঠতেই সামনে এল ব্ল্যাক বক্স সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য।

উল্লেখ্য, অজিতের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তা হল, ২৮ জানুয়ারি সকাল ৮টা নাগাদ রওনা দিয়েছিল বিমানটি। যাত্রার প্রথম দিকে সব কিছুই স্বাভাবিক ছিল। ১০ মিনিটের মধ্যেই বিমানটি প্রায় ছ’কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায় এবং তার গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১০৩৬ কিলোমিটার। উড়ানের ২৪ মিনিট পর কিছু সময়ের জন্য বিমানটি নজরদারি সঙ্কেত পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিল। কয়েক মিনিট পরে আবার সেই সঙ্কেত ফিরে এলেও সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে বিমানটি পুরোপুরি নিশ্চুপ হয়ে যায়। ওই সময়েই ঘটে দুর্ঘটনা। ভেঙে পড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে বিমানের উচ্চতা নেমে এসেছিল প্রায় ১০১৬ মিটারে এবং গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২৩৭ কিলোমিটার, যা অবতরণের সময় স্বাভাবিক বলে ধরা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.