সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লক্ষ্য ২০১৯৷ দিল্লিতে মোদির সিংহাসন কাড়তে এবার হাতে হাত মিলিয়ে আগামী লোকসভা নির্বাচনে অখিলেশ-মায়াবতী৷ সম্প্রতি, উপনির্বাচনের পর লোকসভা নির্বাচনেও জোটের সাফল্যের দৌড় জারি রাখার ইঙ্গিত দিল সমাজবাদী ও বহুজন সমাজ পার্টির দুই প্রধান৷ তবে, জোট বাধার ইঙ্গিত মিললেও আসন সমঝোতা ছাড়া তা কোনওভাবেই সম্ভব নয় বলেও সোমবার অখিলেশ যাদবের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে৷
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গিয়েছে, আসন্ন লোকসভা ভোটে মায়াবতীর দলের সঙ্গে জোট বেধে নির্বাচনে নামতে প্রস্তুত অখিলেশ৷ কিন্তু, আসন সমঝোতা না হলে এই জোট করা সম্ভব হবে না৷ এই প্রসঙ্গে মণিপুরের জনসভা মঞ্চ থেকে অখিলেশের মন্তব্য, ‘‘বিএসপির সঙ্গে ২০১৯ পর্যন্ত জোট অব্যাহত থাকবে৷ বিজেপিকে রুখতে আসন বণ্টনের উপর আমাদের গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন৷’’
[দেশে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে ভারতীয় রেল, মিলবে একাধিক কোর্সে প্রশিক্ষণের সুযোগ]
গতমাসে যোগীর রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি উপনির্বাচনে হারের মুখ দেখতে হয়েছে বিজেপিকে৷ গোরক্ষপুর ও ফুলপুরে বিজেপিকে হারিয়ে এই মুহূর্তে চাঙ্গা ‘সমাজবাদী জোট’৷ ফলে, জয়ের এই ধারা অক্ষুণ্ণ রাখতে জোটের পাথে কাটা তুলতে মরিয়া উভয় শিবির৷
উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জোটের পালে হাওয়া লাগলেও অখিলেশ-মায়াবতীকে নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি৷ যোগীর মন্ত্রিসভার গুরুত্ব এক মন্ত্রী স্বামী প্রসাদ মৌর্য বলেন, ‘‘ভতিজা (অখিলেশ) ও বুয়ার (মায়াবতী) সমস্ত খেলার অবসান হতে চলেছে৷ এদের জোট কখনই রাজ্যের জন্য ভাল হবে না৷ কোন নীতি ছাড়াই পিসি-ভাইপোর এই জোট কীভাবে ২০১৯ সালের স্বপ্ন দেখছে জানি না।’’ ‘সমাজবাদী’ জোটকে কটাক্ষ করা হলেও বিজেপির চিন্তা বিন্দুমাত্র কমেনি৷ উপনির্বাচনের ফলাফল বিজেপির ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছে৷
সর্বশেষ খবর
-
‘বাথরুমের জানলা ভেঙেছিলাম, তারপর…’ জতুগৃহ তারাপীঠের হোটেলে আটকে হাড়হিম অভিজ্ঞতা পর্যটকের
-
‘জন গণ মন’র পরবির্তে জাতীয় সঙ্গীত হোক ‘বন্দে মাতরম’, ‘শক্তিমান’ মুকেশের দাবিতে বিতর্কের ঝড়
-
সামনে জামশেদপুর এফসি, মিগুয়েলকে ছাড়াই আজ ডুরান্ড কোয়ার্টারে নামছে মোহনবাগান
-
স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে ‘হেনস্তা’, তৃণমূলের মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়ে বিতর্কে সিপিএমের মহিলা সংগঠন
-
স্টেশনের জলে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া! ক্যাগ রিপোর্ট দেখেই কড়া ‘অ্যাকশন’ রেলমন্ত্রীর