Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Amit Shah

নীতীশের নীরবতায় ভাঙনের ইঙ্গিত? বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে সক্রিয় শাহ-নাড্ডারা

'অগ্নিপথ' নিয়োগ বিতর্কই কি আলাদা করবে জোটসঙ্গী বিজেডি ও বিজেপির পথ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২২, ২১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২২, ২১:৩৫

options
link
নীতীশের নীরবতায় ভাঙনের ইঙ্গিত? বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে সক্রিয় শাহ-নাড্ডারা zoom

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত, নয়াদিল্লি: নীতীশের নীরবতা। ভাঙনের ইঙ্গিত? বিহারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জোর চর্চা রাজধানীতে। ‘অগ্নিপথ’ নিয়োগ বিতর্কই কি আলাদা করবে জোটসঙ্গী বিজেডি ও বিজেপির পথ? শেষপর্যন্ত আরও একবার তেজস্বী যাদবের সঙ্গে হাত মেলাবেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী? এসব প্রশ্নই কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষনেতাদের। পরিস্থিতি একটু ঠান্ডা হলেই নীতীশের সঙ্গে কথা বলবেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিংরা। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগেই দু’পক্ষের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেনতেন প্রকারে জেডিইউর (JDU) মতো জোটসঙ্গীকে হাতছাড়া না করার নির্দেশ দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। নীতীশের বিরুদ্ধে মুখ খোলা যাবে না। বিহার বিজেপি নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি।

শেষবার বিহারে জোটের সরকার গঠনের পর থেকেই নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হচ্ছিল। পরবর্তীকালে জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে জোটসঙ্গী বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কের ফাটল আরও চওড়া হয়। কার্যত দু’পক্ষের নেতাদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ ছিল। এবার জোটসঙ্গীর মধ্যে তৈরি হওয়া ফাটল আরও চওড়া হচ্ছে। কারণ, অগ্নিপথ প্রকল্প (Agnipath)। প্রকল্প ঘোষণার পর থেকে সবচেয়ে বেশি হিংসার ঘটনা ঘটেছে বিহারে। ট্রেন ভাঙচুর, অবরোধ, অগ্নিসংযোগ বা জোটসঙ্গী বিজেপির কার্যালয় ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটলেও নিশ্চুপ থেকেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই গ্রহণ করেননি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বাংলায় সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা চলছে’, নুপূর শর্মার মন্তব্যের জেরে নিন্দাপ্রস্তাব পাশ বিধানসভায়]

রাজ্য বিজেপির নেতারা চিল চিৎকার জুড়লেও নীরবতাকেই হাতিয়ার করেছেন তিনি। নীতীশের নিশ্চুপ থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে সূত্রের খবর, বিজেপির জোটসঙ্গী হয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কোনও আলোচনা করা হয় না। সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়। সিদ্ধান্ত ঘোষণা হলে তার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হলে রাজ্যে পরিস্থিতির সামাল দিতে হয় তাঁর প্রশাসনকে। করোনার প্রথম ঢেউয়ে আচমকা লকডাউন, নোটবন্দী, জাতিভিত্তিক জনগণনা ও এবার অগ্নিপথ। কোনও ক্ষেত্রেই তাঁর সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্ব আলোচনা করেনি। তাই নীরব থেকে বিজেপির ‘দাদাগিরি’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নীতীশ।

নীতীশের অভিমানের কারণ বুঝতে অসুবিধা হয়নি অমিত শাহ (Amit Shah), জেপি নাড্ডাদের। রবিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের সমন্বয় কমিটির বৈঠকে নীতীশকে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন নাড্ডা, গজেন্দ্র সিং শেখওয়াত, জি কৃষাণ রেড্ডি, অশ্বিনী বিষ্ণু, সর্বানন্দ সোনওয়াল-সহ দলের শীর্ষনেতৃত্ব। সূত্রের খবর, বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর মান ভাঙাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে। জেপি নাড্ডা নিজেও তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানা গিয়েছে। দু’পক্ষের মধ্যে সম্পর্কের যে অবনতি হয়েছে তা কারও অজানা নয়। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরও।

[আরও পড়ুন: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি: অপসারিত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.