সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে একাসনে বসিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর দাবি, আধুনিক ভারত গঠনে যে চারজন গুজরাটির ভূমিকা সবচেয়ে বেশি তাঁদের মধ্যে গান্ধীর (Mahatma Gandhi) পাশাপাশি রয়েছেন মোদিও। এই তালিকায় বাকি দুটি নাম সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং মোরারজি দেশাইয়ের।
বৃহস্পতিবার দিল্লিতে শ্রীদিল্লি গুজরাটি সমাজ নামের এক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গিয়ে শাহ বলেন, মহাত্মা গান্ধী, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, মোরারজি দেশাই এবং নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), আধুনিক ভারতের ইতিহাসে এই চার গুজরাটির অবদান সবচেয়ে বেশি। শাহর দাবি, গুজরাটিরা আজ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। সব ধরনের সমাজ, সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে এরা অনায়াসে মিশে যেতে পারে, সব শ্রেণির মানুষের সেবাও করতে পারে।
[আরও পড়ুন: ওহ লাভলি! টলিউডে পা রেখেই সুপারস্টার, সুইমিংপুলে ‘মদনদা’র ‘নায়িকা-বিলাস’]
যে চার ব্যক্তির কথা তিনি উল্লেখ করেছেন, তাঁদের অবদান সম্পর্কে শাহর বক্তব্য,”মহাত্মা গান্ধী এই দেশকে স্বাধীন করেছেন। সর্দার প্যাটেলের জন্য দেশ একত্রিত হয়েছে। মোরারজি দেশাইয়ের জন্য দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে। আর নরেন্দ্র মোদির জন্য আজ গোটা বিশ্বে ভারত বন্দিত।” শাহর বক্তব্য, এই চার গুজরাটিই দেশের জন্য নিজেদের নিয়োজিত করেছেন। এরা সকলেই দেশের গর্ব।
[আরও পড়ুন: চাকরি ফেরতের দাবি, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে ববিতা]
যদিও শাহের বক্তব্যে বিতর্কের অবকাশ আছে। যে চারজনের নাম তিনি নিয়েছেন তাঁরা চারজনই নিঃসন্দেহে আধুনিক ভারত গঠনে কোনও না কোনওভাবে অবদান রেখেছেন। কিন্তু তা বলে গান্ধীজির সঙ্গে মোরারজি দেশাই, নরেন্দ্র মোদিদের একাসনে বসানোটা মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। একই সঙ্গে আরও একটা প্রশ্ন উঠছে, আলাদা করে চার গুজরাটির নাম নিয়ে দেশের ইতিহাসে বাকি ব্যক্তিত্বদের কি খাটো করে দেখালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?
সর্বশেষ খবর
-
মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপকদের পদোন্নতিতে আর স্বজনপোষণ নয়! বড় পদক্ষেপ রাজ্যের
-
স্বরূপ গ্রেপ্তার হতেই খেলা শেষ! প্র্যাকটিস বন্ধ সুরুচির, আদৌ খেলবে শ্রীভূমি-ডায়মন্ড হারবার?
-
চাকরির ‘টোপ’ দিয়ে হাতানো জমিতে প্রাসাদ! জনতার বিক্ষোভে ‘গৃহবন্দি’ তৃণমূল নেতা
-
সরকারি বাড়ি পেতে নিজের তথ্য যাচাই করুন নিজেই! সাধারণের সুবিধার্থে নয়া অ্যাপ আনল রাজ্য
-
অভিনয় থেকে অবসর নিচ্ছেন অক্ষয়! ‘মৃত্যুর ৫ মিনিট আগে…’, কোন ইঙ্গিত খিলাড়ি কুমারের?