Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান চলাকালীন উপাচার্যকে হেনস্তা

সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে উপাচার্যকে হেনস্তা, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা

CAA নিয়ে অশান্তির রোখার বার্তা দিয়েই আক্রান্ত উপাচার্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২০, ১৯:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২০, ১৯:৫৮

options
link
সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে উপাচার্যকে হেনস্তা, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান চলাকালীন উপাচার্যকে হেনস্তা । ঘটনাস্থল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়। কাঠগড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়েরই একদল পড়ুয়ারা। অভিযোগ, সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় উপাচার্য তারিক মনসুর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। যে কোনও বিষয়ে শান্তিপূর্ণ বিরোধিতাকে স্বাগত জানানো হবে। কিন্তু অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না” এরপরই তাঁর উপর হামলা করা হয়। এই ঘটনায় চারজন ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই CAA বিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

CAA’র বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিল সংসদে ওঠার পর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পরই সেই বিল আইনে পরিণত হয়েছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে প্রতিবাদের ঝাঁজও। পড়ুয়া থেকে বর্ষীয়ান নাগরিক, খেটে খাওয়া মজদুর থেকে রূপালি পর্দার তারকা-একসঙ্গে সকলে পথে নেমেছেন। বির্তকিত আইন প্রত্যাহারে দাবিতে গলা মিলিয়েছেন সকলেই। তবে সেই প্রতিবাদী স্বর রোধ করতে পুলিশ-প্রশাসনও আগ্রাসী হয়েছে বলে অভিযোগ। আন্দোলনে নেমে গোটা দেশে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২৬জন। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে আক্রান্ত হয়েছে পড়ুয়ারাও। তাও প্রতিবাদ চলছে। বিক্ষুব্ধ জনতার অভিযোগ, ধর্মের উপর ভিত্তি করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভেদাভেদের চেষ্টা চলছে। দেশের ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক চরিত্র বদলের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘অসংখ্য মুসলিমকে রাষ্ট্রহীন করবে CAA’, আশঙ্কা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের]

এমন পরিস্থিতিতে রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন AMU’র উপাচার্য। সেই ভাষণের শেষপর্যায়ে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যা হচ্ছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আইনের মধ্যে থেকে বিরোধিতাকে স্বাগত জানাই। কিন্তু অশান্তিকে নয়।” এরপরই তাঁর উপর একদল ছাত্র চড়াও হয়। একই সময় দু’দল ছাত্রের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত তাদের সরিয়ে নিয়ে যায়। পরে চারজনকে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। আটক হওয়া চার পড়ুয়ার নাম-তাহির আজমী, রফিউদ্দিন, সুধীর গুলাটি ও আম ফরাজ। যদিও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.