Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Karnataka

কংগ্রেসের আপত্তি সত্ত্বেও এবার কর্ণাটক বিধানসভায় পাশ গোহত্যা বিরোধী বিল

বিল পেশের আগে বিধানসভার সামনে আয়োজন করা হয় গো–পুজোরও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২০, ২৩:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২০, ২৩:১২

options
link
কংগ্রেসের আপত্তি সত্ত্বেও এবার কর্ণাটক বিধানসভায় পাশ গোহত্যা বিরোধী বিল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ গরুদের রক্ষা করতে সম্প্রতি ‌মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) তৈরি হয়েছে আস্ত একটি মন্ত্রক! গরু এবং গো–শালা সংরক্ষণে উৎসাহ দিতে ‘গো-মন্ত্রক’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে রাজ্যের BJP সরকার। আর এবার আরেক বিজেপি শাসিত রাজ্যে গোহত্যা বন্ধে পাশ হল বিশেষ বিল। বিরোধী দল কংগ্রেসের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও বুধবার কর্ণাটক (Karnataka) বিধানসভায় পাশ করানো হল গো-রক্ষা ও গো–নিধন (Cow Slaughter) বন্ধে বিশেষ বিল। শুধু তাই নয়, রীতিমতো সাড়ম্বরে আয়োজন করা হল গো–পুজোও।

এদিন ‘‌প্রিভেনশন স্লটার অ্যান্ড প্রিজারভেশন ক্যাটল বিল ২০২০’‌ (‌Prevention of Slaughter and Preservation of Cattle Bill 2020)‌ নামে বিলটি পাশ করিয়েছে বি এস ইয়েদুরাপ্পা সরকার। এই নয়া বিল এরপর আইনে পরিণত হলেও কর্ণাটকে গো–হত্যা নিয়ে আরও কড়া আইন লাগু হবে। বুধবার এই বিল পাশের সময় বিধানসভায় বিজেপি বিধায়করা ‘‌গো মাতা কি জয়’‌ ধ্বনিও তোলেন। এদিকে, বিলের বিরোধিতায় ওয়েলে বিক্ষোভ দেখায় বিরোধী দল কংগ্রেসের বিধায়করা। তাঁদের দাবি, এই বিলের বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। কিন্তু প্রবল বাক–বিতণ্ডার মধ্যেই পাশ হয়ে যায় এই বিলটি।

Advertisement

[আরও পড়ুন:‌ কুতুব মিনার চত্বরে ২৭টি মন্দির থাকার দাবি! ‘পুজোর অধিকার’ চেয়ে দায়ের মামলা]

এর আগে আবার কর্ণাটকের পশু কল্যাণ মন্ত্রী প্রভু চৌহানকে দেখা যায় বিধানসভার সামনে গো–মাতার পুজো করতেও। তিনি গেরুয়া পোশাকে এদিন বিধানসভায় পা রাখেন। পরে এই প্রসঙ্গে চৌহান বলেন, ‘‌‘‌‌আমাদের উপর রাজ্যের মানুষ এবং নেতাদের আশীর্বাদ রয়েছে। আমাকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। এই প্রথম এখানে গো–পুজোর আয়োজন করা হল। গরু আমাদের মা। আর পশু সুরক্ষার জন্য এই বিল আনা হয়েছে।’‌’‌ এছাড়া বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরুতে বিজেপি কার্যালয়েও গো–পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে, এই বিল পাশ হলে কর্ণাটকে আর কোনওপ্রকার গো–হত্যাই করা যাবে না। এর আগে ২০১০ সালে এরকমই একটি বিল এনেছিল তৎকালীন বিজেপি সরকার। তাতে কেবল ১২ বছরের বেশি বয়সি কিংবা জন্ম বা দুধ দিতে অক্ষম ষাঁড়, বলদ এবং মোষকেই বলি বা হত্যা করা যেত। এবার এই নয়া বিল আইনে পরিণত হলে সেটাও বন্ধ হবে।

 

[আরও পড়ুন:‌ ঐক্যের অভাব, কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে দরবার ‘দুর্বল’ বিরোধীদের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.