Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

অনুপ্রবেশের সময় BSF কি ঘুমোয়? ওয়েইসির মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক  

RSS-কে জবাব দিতে গিয়ে বিতর্কে মিম প্রধান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২২, ১৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২২, ১৯:২২

options
link
অনুপ্রবেশের সময় BSF কি ঘুমোয়? ওয়েইসির মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক   zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশি (Bangladeshi) অনুপ্রবেশের কারণ কী? বিএসএফ (BSF) সীমান্তে ঘুমায়? আরএসএস (RSS) নেতার জনসংখ্যার ভারসাম্য সংক্রান্ত মন্তব্যকে এই ভাষাতেই কটাক্ষ করলেন মিম (AIMIM) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi)। ক’দিন আগে সংঘ নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবালে (Dattatreya Hosabale) মন্তব্য করেছিলেন, দেশে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে মূলত দু’টি কারণে। তা হল যথাক্রমে ধর্মান্তর ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ। কিন্তু সীমান্তরক্ষী বাহিনী থাকতে অনুপ্রবেশ হচ্ছে কেন, প্রশ্ন তুললেন ওয়েইসি।

সম্প্রতি দেশের জনসংখ্যার ভারসাম্য নিয়ে সরব হয়েছে আরএসএস। বুধবার আরএসএস নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবালে মন্তব্য করেন, ধর্মান্তর ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ দেশের জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্টের দুই কারণ। প্রয়াগরাজে সংঘের সভায় ধর্মান্তর নিয়ে সাধারণ মানুষকে অবগত করেন গেরুয়া নেতারা। সেখানে দত্তাত্রেয় জানান, ভারতে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্টের দ্বিতীয় বৃহত্তম কারণ অনুপ্রবেশ। বলেন, “বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে পূর্ণিয়া এবং কাটিহার-সহ উত্তর বিহারের জেলাগুলিতে এবং অন্য রাজ্যে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।” এদিন এর জবাব দেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। মিম নেতা বলেন, “যদি বাংলাদেশ থেকে ভারত ভূখণ্ডে বেআইনি ভাবে লোকে ঢুকে পড়ে, তাহলে বিএসএফ কী করছে সীমান্তে? বিরায়ানি খাচ্ছে আর ঘুমাচ্ছে? সেই কারণেই কি অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছে না?”

Advertisement

[আরও পড়ুন: গণধর্ষণ ও যৌনাঙ্গে রড ঢোকানোর ভুয়ো অভিযোগ, মহিলার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থার আরজি মহিলা কমিশনের]

উল্লেখ্য, জনসংখ্যার ভারসাম্যের বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত। দশেরার এক শোভাযাত্রায় যোগ দিয়েছিলেন আরএসএস সুপ্রিমো। সেখানেই তিনি বলেন, ”জনসংখ্যার ভারসাম্যহীনতা ভৌগলিক সীমানা পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যায়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার ভারসাম্য এমন এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যাকে আর উপেক্ষা করা যাবে না। আর সেই কারণেই একটি সামগ্রিক জনসংখ্যা নীতি আনা উচিত। এবং সকলের জন্যই এটা সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত।” ভাগবত একথা বলার পরও মুখ খুলেছিলেন ওয়েইসি।

[আরও পড়ুন: দিল্লিতে ইডির হেফাজতে সায়গল হোসেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সময় ৭ দিন]

ওয়াইসি জানিয়ে দেন, ভারতে মুসলিমদের জন্মহার কমছে। তিনি বলেন, “আতঙ্কিত হবেন না। কারা সবচেয়ে বেশি কন্ডোম ব্যবহার করেন? আমরা। ভারতে মুসলিমদের জন্মহার বৃদ্ধি পাচ্ছে না। বরং কমছে।” ওয়েইসির দাবি, একথা জানা থাকলেও এই বিষয়ে মুখ খুলবেন না ভাগবত। এই বিষয়ে তথ্যও রয়েছে মজলিস এ ইত্তেহাদ মুসলিমিনের প্রধানের কাছে। বলেন, “আমি আপনার সামনে তথ্য পেশ করছি। কেন্দ্রের তথ্যই বলছে মুসলিমদের জন্মহার ২ শতাংশ কমে গিয়েছে।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.