BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

নজরে চিন, আমেরিকার থেকে আরও ৭২ হাজার অত্যাধুনিক রাইফেল কিনবে ভারত

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: July 13, 2020 5:46 pm|    Updated: July 13, 2020 5:46 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখে চিনা আগ্রাসন মাথায় রেখে সমরসজ্জা বড়াচ্ছে ভারত। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করতে এবার আমেরিকাকে অতিরিক্ত ৭২ হাজার সিগ-৭১৬ (Sig Sauer assault rifles) রাইফেলের বরাত দিচ্ছে সেনাবাহিনী।

[আরও পড়ুন: সেনার হাতে ‘নারায়ণী অস্ত্র’, শত্রু শিবির কাঁপাতে আসছে ‘ষড়ঙ্গ’]

জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে আমেরিকা থেকে ৭২ হাজার সিগ-৭১৬ রাইফেল কিনেছে ভারত (India)। এবার একই পরিমাণের ওই অ্যাসল্ট রাইফেল কিনতে আমেরিকাকে ফের বরাত দেওয়া হচ্ছে। জঙ্গিদমন এবং জম্মু ও কাশ্মীরে গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে নিরাপত্তাবাহিনী অত্যাধুনিক সিগ-৭১৬ রাইফেল ব্যবহার করে। সেনাবাহিনীর হাতে পর্যাপ্ত এই অস্ত্র চলে এলে শত্রুদের মোকাবিলা করতে সুবিধা হবে। সেনার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে সেনার ইনফ্যান্টরি ডিভিশনের জন্য ৮ লক্ষ অত্যাধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেলের প্রয়োজন। সেই চাহিদা মেটাতে ৭২ হাজার মার্কিন রাইফেলের বরাত দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে 5.56mm INSAS (Indian Small Arms System) রাইফল ব্যবহার করছেন সৈনিকরা। তবে লড়াইয়ের মাঝে এই অস্ত্রগুলিতে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেওয়ার ঘটনা বহুবার ঘটেছে। ফলে প্রায় দু’দশক আগে সেনার হাতে আসা INSAS রাইফলের বিকল্প খুঁজছে ফৌজ।

উল্লেখ্য, কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চললেও চিনের (China) সঙ্গে যুদ্ধের সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে। এহেন পরিস্থিতিতে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না কেন্দ্র সরকার। তাই গত জুন মাসে সেনার তিন বাহিনীকেই ৫০০ কোটি টাকা প্রতি প্রকল্পে অস্ত্র কেনার ছাড়পত্র দিয়েছে মোদি সরকার। ফাস্ট ট্র্যাক পদ্ধতিতে, সহজ কথায় লালফিতের জট এড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রতি প্রকল্পে হাতিয়ার কেনার জন্য সেনার তিন বাহিনীর সহ-প্রধানদের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এর ফলে এবার প্রয়োজন বুঝলে প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা একাধিক সংসদীয় কমিটির অনুমোদনের বেড়াজালে বা টেন্ডার প্রক্রিয়াকে পাশে সরিয়ে যুদ্ধের হাতিয়ার কিনতে পারবে ফৌজ। ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত শক্তিবৃদ্ধি ও পরিস্থিতি মোতাবেক অস্ত্র আমদানি সম্ভব হবে।

[আরও পড়ুন: মসজিদে বদলে যাচ্ছে ঐতিহাসিক হেগিয়া সোফিয়া, দুঃখপ্রকাশ করলেন পোপ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement