Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Arnab Goswami

মুম্বই পুলিশের তদন্তে স্থগিতাদেশ চেয়ে CBI-এর আরজি, হাই কোর্টের দ্বারস্থ অর্ণব গোস্বামী

দ্রুত এই মামলার চার্জ শিট পেশ হওয়ার কথা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২০, ২১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২০, ২১:২৭

options
link
মুম্বই পুলিশের তদন্তে স্থগিতাদেশ চেয়ে CBI-এর আরজি, হাই কোর্টের দ্বারস্থ অর্ণব গোস্বামী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রিপাবলিক টিভির এডিটর-ইন-চিফ অর্ণব গোস্বামীর (Arnab Goswami) অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে কয়েক দিন আগেই। এবার তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলায় মুম্বই পুলিশের (Mumbai Police) তদন্তে স্থগিতাদেশ চেয়ে বম্বে হাই কোর্টের (Bombay high Court) দ্বারস্থ হলেন তিনি। সেইসঙ্গে এই আরজিও জানালেন, তদন্তের দায়িত্বভার মুম্বই পুলিশের কাছ থেকে সিবিআই বা অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থাকে হস্তান্তরিত করা হোক। আগামী ১০ ডিসেম্বর এই বিষয়ে শুনানি হবে বম্বে হাই কোর্টে।

সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ জানিয়েছিলেন, শিগগিরি এই মামলার চার্জশিট পেশ করা হবে। তারপরই আদালতে এই আরজি জানাতে দেখা গেল অর্ণবকে। তাঁর আবেদনপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজ্যের সিআইডিকে যেভাবে নতুন করে ওই মামলার তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন অনিল দেশমুখ, সেটাও তিনি করতে পারেন না। যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে, গত বছরই আলিবাগ পুলিশ তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তা  নতুনভাবে শুরু করার নির্দেশ দিতে পারেন না অনিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আত্মঘাতী কৃষকরা কাপুরুষ’, কৃষি বিক্ষোভের মাঝে বিতর্কিত মন্তব্য কর্ণাটকের কৃষিমন্ত্রীরই]

প্রসঙ্গত, ইন্টিরিয়র ডিজাইনার অন্বয় মালিক এবং কুমুদ মালিককে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অর্ণব গোস্বামীর বিরুদ্ধে। ২০১৮ সালের এই মামলায় তাঁকে গত ৪ নভেম্বর গ্রেপ্তার করেছিল মুম্বই পুলিশ। এই মামলায় অর্ণব ছাড়া বাকি দুই অভিযুক্ত হলেন ফিরোজ শেখ ও নীতীশ সারদা। গত ১১ নভেম্বর অন্তর্বর্তী জামিন পান অর্ণব। সেই সময় মহারাষ্ট্র সরকারকে তিরষ্কার করেছিল শীর্ষ আদালত।

পরে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর সময়ও সেই সুর শোনা যায়। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, ফৌজদারি আইন যেন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে হয়রানির অস্ত্র না হয়ে ওঠে সে ব্যাপারটা নিশ্চিত করতে হবে সুপ্রিম কোর্ট, হাই কোর্ট ও নিম্ন আদালতকে। একদিনের জন্যও কারও ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ করা কাম্য নয় বলেই জানায় শীর্ষ আদালত।

[আরও পড়ুন: মাস্ক না পরলে কোভিড কেন্দ্রে সমাজসেবা! গুজরাট হাই কোর্টের নির্দেশ খারিজ শীর্ষ আদালতে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.