Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Asaduddin Owaisi

পাকিস্তানকে ‘মার্কামারা ভিখারি’ বলে তোপ! IMF-এর কাছে ঋণ নেওয়া প্রসঙ্গে ক্ষুব্ধ ওয়েইসি

ওয়েইসির খোঁচা, 'পশ্চিমি বিশ্বের এটা উপলব্ধি করা উচিত যে পাকিস্তান একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৫, ১৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৫, ১৯:২৯

options
link
পাকিস্তানকে ‘মার্কামারা ভিখারি’ বলে তোপ! IMF-এর কাছে ঋণ নেওয়া প্রসঙ্গে ক্ষুব্ধ ওয়েইসি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানকে ফের ঋণ মঞ্জুর করল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার আইএমএফ। ভারতের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও এই ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি পাকিস্তানকে ‘মার্কামারা ভিখারি’ বলে কটাক্ষ করলেন।

তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”ওসামা বিন লাদেনকে পাকিস্তানের এক সামরিক এলাকায় আশ্রয় নিতে দেখা গিয়েছে। পশ্চিমি বিশ্বের এটা উপলব্ধি করা উচিত যে পাকিস্তান একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। এখনই সময় প্রতিটি বড় দেশের জেগে ওঠার এবং পাকিস্তানের কাছে থাকা পারমাণবিক বোমা নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করার। এগুলো সামগ্রিক মানবজাতির জন্য হুমকি।”

Advertisement

পরে পাকিস্তানকে আরও তোপ দেগে আইএমএফের থেকে তাদের নতুন করে ঋণ নেওয়ার প্রসঙ্গে ওয়েইসিকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”ওরা তো মার্কামারা ভিখারি। আইএমএফ পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক ‘জঙ্গি’ ত্রাণ দিচ্ছে। আমেরিকা, জার্মানি, জাপান এতে রাজি হল কী করে? এই অর্থ তো দারিদ্র দূর করতে ব্যবহার করা হবে না। কিংবা পোলিও হগার কমাতে কাজে লাগানোও হবে না। স্রেফ ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহৃত হবে।”

গত কয়েক বছর ধরে আইএমএফের ঋণের উপর টিকে রয়েছে শাহবাজের দেশ। সেই ধারা অব্যাহত রেখে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে ফের আইএমএফের কাছে যায় ইসলামাবাদ। তবে সন্ত্রাসের মদতদাতা পাকিস্তানকে যাতে এই ঋণ না দেওয়া হয় তার জন্য স্পষ্ট যুক্তি দেওয়া হয় ভারতের তরফে। অভিযোগ, করা হয় অতীতেও একাধিকবার ঋণ নিয়েছে পাকিস্তান। তবে সেই অর্থ তারা সঠিক কাজে ব্যবহার করেনি। সরাসরি সন্ত্রাসবাদে অর্থ যোগানের আশঙ্কা প্রকাশ করে ভারত জানায়, এই অর্থ পাকিস্তান আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে অপব্যবহার করতে পারে ফলে এই ঋণ কোনওভাবেই দেওয়া উচিত নয়। ঋণ গ্রহণের পর যে সকল শর্ত মেনে চলা উচিত অতীতেও সে নিয়ম লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। ফলে এবারও এই অর্থ অপব্যবহারের সম্ভাবনাই অনেক বেশি। ভারত আপত্তি জানালেও ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভোটের ফলাফল ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। পাশাপাশি এই ভোটাভুটিতে যেহেতু বিপক্ষে ভোট দেওয়া যায় না, তাই ভোট থেকে বিরত থাকে ভারত।

এদিকে ঋণ মঞ্জুর হওয়ার পর পাক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে এক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, আইএমএফের তরফে পাকিস্তানকে এক মিলিয়ন ডলার ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তান অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করেছে এবং দেশটি উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যদিও এই উন্নতির নমুনা এর আগেও দেখেছে বিশ্ব। সন্ত্রাসে কোনও লাগামই পড়েনি। ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলা তা আরও একবার প্রমাণ করেছে। শনিবারের সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পর আপাতত সম্পর্কে শান্তি ফেরার আশা সকলের। তার মধ্যেই চর্চায় আইএমএফের পাকিস্তানকে ফের ঋণ দেওয়ার প্রসঙ্গও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.