Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
আসাদুদ্দিন ওয়েইসি

হিন্দুত্বের কাছে হার মানল ধর্মনিরপেক্ষতা, রাম মন্দিরের ভূমিপুজো নিয়ে তোপ ওয়েইসির

'অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ছিল, আছে আর থাকবে', হুঁশিয়ারি AIMIM সুপ্রিমোর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২০, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২০, ২০:০৭

options
link
হিন্দুত্বের কাছে হার মানল ধর্মনিরপেক্ষতা, রাম মন্দিরের ভূমিপুজো নিয়ে তোপ ওয়েইসির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরও অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ মেনে নিতে পারছেন না এআইএমআইএম সুপ্রিমো আসাদুদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi) । তাঁর সাফ কথা, অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ছিল, বাবরি মসজিদ আছে, আর বাবরি মসজিদই থাকবে। AIMIM সুপ্রিমো বলছেন, আজ প্রধানমন্ত্রী অযোধ্যায় মন্দিরের ভূমিপুজো করার সাথে সাথেই হিন্দুত্বের কাছে ধর্মনিরপক্ষেতার পরাজয় হয়েছে।

বুধবার সকালেই মন্দির নির্মাণ নিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছিলেন হায়দরাবাদের সাংসদ। ওয়েইসির হুঁশিয়ারি,”আমার মতে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ছিল, আছে, থাকবে।” বিকেলে ভূমিপুজো শেষ হওয়ার পর তিনি সুর আরও চড়ালেন। বলে দিলেন,”ভারত একটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। প্রধানমন্ত্রী মন্দিরের অনুষ্ঠানে গিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার শপথ ভঙ্গ করেছেন। ” ওয়েইসি অবশ্য দিন দুই আগেই বলেছিলেন,”প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভূমিপূজনে অংশ নেওয়া মানে প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক শপথের শর্ত লঙ্ঘন করা। কারণ, ধর্মনিরপেক্ষতা আমাদের সংবিধানের মূল ভিত্তি। তাই নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ওই অনুষ্ঠানে যাওয়া উচিত নয়।”

[আরও পড়ুন: কথা রাখলেন মোদি, ২৯ বছর পর মন্দির নির্মাণের কাজেই পা রাখলেন অযোধ্যায়]

বুধবার ভূমিপুজোর পর নিজের পুরনো বয়ানের সঙ্গে আরও খানিকটা সংযোজন করেন AIMIM সুপ্রিমো। তিনি বলেন,”প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের ভিত্তি স্থাপন করে নিজের পদের গরিমা লঙ্ঘন করেছেন। আজ হিন্দুত্বের কাছে ধর্মনিরপক্ষতা পরাজিত হল। এটা ধর্মনিরপেক্ষতার হার, হিন্দুত্বের জয়।” সরাসরি মোদিকে তোপ দেগে হায়দরাবাদের সাংসদ বললেন, “প্রধানমন্ত্রী বলছেন তিনি আজ আবেগপ্রবণ। আরে আজ আমিও আবেগপ্রবণ। কারণ আমি নাগরিকদের পারস্পারিক সুসম্পর্কে বিশ্বাস করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমিও আজ আবেগপ্রবণ কারণ, ওই জায়গায় ৪৫০ বছর ধরে বাবরি মসজিদ দাঁড়িয়ে ছিল।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.