Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬

নাবালিকা ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু

দোষী সাব্যস্ত ধর্মগুরুর সঙ্গীরাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৭:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৭:৪৭

options
link
নাবালিকা ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত আসারাম বাপু। স্বঘোষিত ধর্মগুরুর সঙ্গীদেরও পরিণতি একই। পাঁচ বছর আগে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল এই ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে। আজ যোধপুরের বিশেষ আদালত দোষী সাব্যস্ত করল পাঁচ অভিযুক্তকেই।

[  বিহার-উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের জন্যই দেশ পিছোচ্ছে, বিস্ফোরক নীতি আয়োগের সিইও ]

Advertisement

নাবালিকা ধর্ষণ থেকে পাচার-বহু অভিযোগ ছিল এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে। পুলিশের পেশ করা চার্জসিটে ধর্ষণের স্পষ্ট উল্লেখ ছিল। যদিও সাক্ষীদের হত্যা করে মামলা প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে বারংবার। ৯ জন সাক্ষীর উপর বিভিন্ন সময় আক্রমণ নেমে এসেছে। তাঁদের মধ্যে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। আসারামের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অম্রুত প্রজাপত, রাঁধুনি অখিল গুপ্তা ও অপর এক সাক্ষী ক্রিপাল সিংকে গুলি করে খুন করা হয়। যদিও শেষমেশ রেহাই পেল না ধর্মগুরু ও তার সঙ্গীরা।পাঁচজনকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত  এখনও সাজা ঘোষণা হয়নি। আপাতত জেলেই থাকছে ধর্মগুরু।তার নূন্যতম সাজা হতে পারে ১০ বছর। সর্বোচ্চ যাবজ্জীবনের শাস্তিও পেতে পারে আসারাম।

 

গোটা দেশে প্রায় ৪০০-রও বেশি আশ্রম আছে এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর। ভক্তসংখ্যাও বহু।  হাই প্রোফাইল এই মামলা ঘিরে তাই প্রায় দুর্গের চহারা নিয়েছে যোধপুর। কেন্দ্রের নির্দেশে সর্বত্র নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত আসারাম, তিনি থাকেন উত্তরপ্রদেশে। সেখানেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সকাল থেকেই ভক্তদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। হাতের সামনেই রয়েছে গুরমিত কাণ্ডের নিদর্শন। স্বঘোষিত সেই ধর্মগুরুকে শাস্তি দিতে গিয়ে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল গোটা হরিয়ানা। তার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় তাই সবরকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজস্থান, গুজরাট ও হরিয়ানায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী।

আদালতের রায়ের পর খুশি নির্যাতিতার বাবা। জানাচ্ছেন, এতদিনে তাঁরা সুবিচার পেলেন। এতদিনের লড়াইয়ে যাঁরা পাশে ছিলেন তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর দাবি দোষীদের কঠোর শাস্তি হোক।

অন্যদিকে আসামারেম মুখপাত্র নীলম দুবে জানিয়েছেন, দেশের বিচারব্যবস্থাকে তাঁরা সম্মান জানান। আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করেই পরবর্তী পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.