Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Assam

অসমে পুরোপুরি নিষিদ্ধ গোমাংস! কঠোর আইন আনার পথে হিমন্ত সরকার

অসমে গোমাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা ছিল আগেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২৪, ২০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২৪, ২০:৩৫

options
link
অসমে পুরোপুরি নিষিদ্ধ গোমাংস! কঠোর আইন আনার পথে হিমন্ত সরকার zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসমে পুরোপুরি নিষিদ্ধ হল গোমাংস খাওয়া। বুধবার সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, গোমাংস নিয়ে অসমে আগে যা আইন ছিল সেটা খানিকটা বদল করা হচ্ছে। নতুন বেশ কিছু বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। তার ফলে হোটেল-রেস্তরাঁ-সহ একাধিক জায়গায় গোমাংস খাওয়া একেবারে বন্ধ হবে।

বুধবার হিমন্ত জানান, গোমাংস ভক্ষণ নিয়ে বৈঠকে বসেছিল রাজ্যের ক্যাবিনেট। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, গোমাংস খাওয়া নিয়ে এখন যে আইন রয়েছে সেটি সংশোধন করা হবে। অসমে এতদিন পর্যন্ত নিয়ম ছিল, রাজ্যে গোমাংস বিক্রি করা যাবে না। তাছাড়া মন্দির সংলগ্ন ৫ কিলোমিটার এলাকাতে গোমাংস ভোজন নিষিদ্ধ ছিল। এবার সেই আইনেই আরও কড়াকড়ি আনতে চলেছে অসমের বিজেপি সরকার।

Advertisement

জানা গিয়েছে, নতুন আইনে হোটেল এবং রেস্তরাঁতে গোমাংস বিক্রিতে নিষিদ্ধ করা হবে। এছাড়াও প্রকাশ্যে বা কোনও অনুষ্ঠানে গোমাংস খাওয়া যাবে না। কেবল মন্দির সংলগ্ন এলাকা নয়, গোটা রাজ্যজুড়েই এই নতুন আইন কার্যকর হবে বলে জানান হিমন্ত। সাংবাদিক বৈঠকে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিন বছর আগে অসমে গোহত্যা বন্ধ করতে আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। সেখানে সাফল্য মিলেছে। তার পরেই আইনে আরও কড়াকড়ি আনার কথা ভাবছে হিমন্তের প্রশাসন।

উল্লেখ্য, বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে গোহত্যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কয়েক মাস আগে সেরাজ্যের কয়েকটি বাড়ির ফ্রিজে গোমাংস রাখার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরেই ১১টি বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয় মধ্য়প্রদেশ প্রশাসন। যদিও পরে প্রশাসনের দাবি ছিল, সরকারি জমির উপর বেআইনিভাবে ওই বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছিল তাই এই পদক্ষেপ। সেই একই ছবি কী এবার দেখা যেতে পারে অসমেও? হিমন্তের নতুন ঘোষণার পর থেকে প্রশ্ন উঠছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.