Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Assam

লায়লাপুরে চলছে আর্থিক অবরোধ, অসম-মিজোরাম সীমান্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

আরও জটিল হয়ে উঠেছে অসম ও মিজোরামের মধ্যে চলা সীমান্ত বিবাদ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২০, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২০, ১৭:১৬

options
link
লায়লাপুরে চলছে আর্থিক অবরোধ, অসম-মিজোরাম সীমান্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরও জটিল হয়ে উঠেছে অসম ও মিজোরামের মধ্যে চলা সীমান্ত বিবাদ। এবার কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের পরও কিছুতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না। নিজেদের অবস্থানে অনড় দুই পক্ষই।

[আরও পড়ুন: মুঙ্গেরের ভাসানে হামলা হিন্দুত্বের উপর আঘাত, বিজেপি চুপ কেন? প্রশ্ন শিব সেনার]

জানা গিয়েছে, অসমের (Assam)কাছাড় জেলার লায়লাপুরে মিজোরামের (Mizoram) বিরুদ্ধে অনির্দিষ্ট কালের আর্থিক অবরোধ এখনও চলছে। ওই পথেই ট্রাকের মাধ্যমে মিজোরামে জরুরি পণ্য পৌঁছায়। তাই পড়শি রাজ্যকে ‘শিক্ষা দিতে’ দুই রাজ্যের সংযোগকারী জাতীয় সড়কে পণ্যবাহী ট্রাক আটকে দিয়েছেন লায়লাপুরের বাসিন্দারা। পালটা মিজোরামের কলাসিব জেলার ভাইরাংটে গ্রামের বাসিন্দারাও অসম থেকে পণ্য নিয়ে যাওয়া ট্রাকগুলিকে ফিরে আসতে দিচ্ছেন না। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমে আরও ঘোরাল হয়ে উঠছে। এহেন সংকট কালে বৃহস্পতিবার অসম-মিজোরাম সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন কাছাড় জেলার সোনাই সার্কলের ভারপ্রাপ্তি আধিকারিক সুদীপ নাথ। লায়লাপুরের বাসিন্দা ও ট্রাকচালকদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। তবে তাতে ফল বিশেষ কিছু হয়নি। মিজোরামের প্রতি ক্ষোভ প্রদর্শন করে আর্থিক অবরোধ তুলতে রাজি হননি তাঁরা।

Advertisement

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই দুই রাজ্যের মধ্যে গণ্ডগোলের সূত্রপাত হয়। সীমান্তে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে শুরু হয় সংঘর্ষ। আহত হন বেশ কয়েকজন। অসমের বাসিন্দারা অভিযোগ তোলেন তাঁদের দিকে মিজোরাম সরকার একটি কোভিড-১৯ পরীক্ষাকেন্দ্র বানিয়েছে। মিজোরামের দিকে যে ট্রাকচালক ও অন্যান্যরা যাচ্ছেন তাঁদের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে সেখানে। অসম সরকারকে না জানিয়েই এই পরীক্ষা কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তাঁরা। তারপরই লায়লাপুরের বেশকিছু বাসিন্দা লাঠি, দা হাতে নিয়ে সেখানে হামলা চালান বলে অভিযোগ। এর পরেই মিজোরামের দিক থেকে কিছু যুবক এসে লাইলাপুরে ১৫ টি দোকান ও বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে সংঘাত পাশের করিমগঞ্জ জেলাতেও তা ছড়িয়ে পড়ে। শান্তি ফেরাতে কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয় দুই রাজ্য। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গার সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। এই বিষয়ে জোরামথাঙ্গা আশ্বাস দেন, আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফেরাতে চান তাঁরাও। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দপ্তরেও এই বিষয়ে জানান তিনি। এই মুহূর্তে সীমান্তে উত্তপ্ত এলাকায় প্রচুর পরিমাণে নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করেছে দু’রাজ্যই। মিজোরামের কলাসিব জেলার ভাইরাংটে গ্রাম ও অসমের কাছাড় জেলার লায়লাপুর এলাকায় এই নিরাপত্তারক্ষীদের মোতায়েন করা হয়েছে। তার ফলে মিজোরামের দিকে যাওয়ার পথে কয়েকশ ট্রাক এই মুহূর্তে সীমান্তে আটকে রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, লায়লাপুরের গ্রামবাসীর পণ্যবাহী ট্রাক মিজোরামে ঢুকতে দিচ্ছেন না। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হলে খাবার, ওষুধ, রান্নার গ্যাস ও পেট্রোল ডিজেলের অভাব দেখা দেবে মিজোরামে।

[আরও পড়ুন: মুঙ্গেরের ভাসানে হামলা হিন্দুত্বের উপর আঘাত, বিজেপি চুপ কেন? প্রশ্ন শিব সেনার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.